একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে মিছিলকারীদের অভিযোগ, রোড শো’র মাঝপথেই বিজেপি নেতা-কর্মীদের বাইক মিছিলে পুলিশ বাধা দেয়। একই সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা কালো পতাকা দেখায় বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আর হাতেগোনা দু’মাস বাকি। আর তার আগে কোমর বেঁধে নেমেছে শাসক-বিরোধী উভয় শিবির।
তৃণমূল ত্যাগী নেতা শোভন চট্টোাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী এবং বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিক রোড শো করছেন। তেমনই শনিবার মহেশতলায় রোড শো ছিল তাঁদের। ওই রাস্তাতে বাইক মিছিল করেও যেতে দেখা যায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। অভিযোগ, গোপালপুরের কাছে বাইক মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ।
পুলিশের তরফে জানানো হয়, যেহেতু শোভন-বৈশাখীর রোড শো তাই তাঁদের গাড়ি একেবারে প্রথম সারিতে রাখতে হবে। যদিও তাতে রাজি হননি বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই রোড শো’র একেবারে শুরুতে শোভন-বৈশাখীকে রাখা সম্ভব নয় বলে দাবি করে গেরুয়া শিবিরের। তার ফলে পুলিশ এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা বাঁধে।
এরপরই কিছুটা পথ এগোতেই শোভন-বৈশাখীকে লক্ষ্য করে কালো পতাকা দেখানো হয়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাই কালো পতাকা দেখান বলেই দাবি পদ্ম শিবিরের। এমনকী স্থানীয় বাসিন্দারা শোভন-বৈশাখী-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের ঝাঁটা, জুতো পর্যন্ত দেখায়। শুধু একবার নয়, রোড শো’য় একাধিক জায়গায় এহেন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। এই ঘটনায় রীতিমতো বিরক্ত শোভন-বৈশাখী।
প্রাক্তন দলকে কটাক্ষ করে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রোড শো’তে বিপুল জনসমাগম দেখে আতঙ্কিত তৃণমূল। তাই কোথাও দেখানো হচ্ছে কালো পতাকা। আবার কোথাও বাইক মিছিল আটকে দেওয়া হচ্ছে।”
একই সুর শোনা গেল নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তাঁর দাবি, “রংমিলান্তির খেলা শুরু করেছে তৃণমূল। আমার কালো শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে কালো পতাকা দেখানো হয়েছে। তাতে আমি যথেষ্ট খুশি হয়েছি।” সব মিলিয়ে ভোটের প্রাক্কালে বাংলায় উত্তেজনা চরমে।





