আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রায় ৩ মাস পর চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হল। এদিন এই ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়কে আদালতে পেশ করা হলে আচমকাই বিস্ফোরক দাবী করে ওঠে সে। এতদিন পর অবশেষে মুখ খুলল সঞ্জয়।
গত ৯ আগস্ট আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে। সিবিআই সঞ্জয়কে একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে চার্জশিট পেশ করেছিল আগেই। আজ, সোমবার শিয়ালদহ আদালতে ছিল এই মামলার শুনানি।
এদিন এই মামলায় রুদ্ধদ্বার কক্ষে চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া হয়। শিয়ালদহ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত -১ বিচারক অনির্বাণ দাসের এজলাসে ধৃতের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়। সিবিআই ধৃত সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ (খুন), ৬৪(১) ধর্ষণ এবং ৬৬ ধারায় চার্জশিট দিয়েছিল। সূত্রের খবর, বিচারকের সামনে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেন ধৃত সিভিক ভলান্টিয়র। জানা গিয়েছে, আগামী ১১ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন এই মামলার শুনানি হবে।
এদিন শিয়ালদহ আদালত থেকে বেরোনোর পর প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় সঞ্জয়কে দেখে মনে হয়, সে যেন কিছু বক্তে চায়। এর আগে কখনও সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলে নি সে। তবে এবার মুখ খুলল সঞ্জয়। সাংবাদিকদের দেখে তার মন্তব্য, “আমি কিচ্ছু করিনি”।
আরও পড়ুনঃ জোড়া ঘটনা লেকটাউনে! শব্দবাজির প্রতিবাদ করে মার খেল খোদ পুলিশই, অন্যদিকে স্ত্রী-র শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর স্বামীকে
এর আগে গ্রেফতারের পর থেকেই নিঃস্পৃহই দেখা গিয়েছে সঞ্জয়কে। প্রথমে পুলিশকে সে অবলীলায় বলেছিল, “আমিই দোষী, আমাকে ফাঁসি দিন”। পরে যদিও আদালতে একবার শুনানির সময় সঞ্জয় বিচারককে বলেছিল, “আমার কিছু বলার আছে। নাহলে দোষী করে দেবে”। এবার আজ, সোমবার যখন তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হল, সেই সময় বিস্ফোরক দাবী করে সঞ্জয়। বলে ওঠে, “সরকার আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমি রেপ মার্ডার করিনি। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট আমাকে চুপ থাকতে বলেছিল”। এবার এই ঘটনার মোড় কোনদিকে নিতে চলেছে, তা সময়ই বলবে।






