‘সিভিক ভলান্টিয়ার যে একাই যুক্ত, তা আমরা বলিনি’, আর জি কর কাণ্ডের মামলায় জানাল সিবিআই, আর কোন সত্যি জানতে পারল তদন্তকারী সংস্থা?

আগামীকাল, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে আর জি কর মামলার শুনানি। এর আগে আজ, সোমবার শিয়ালদহ আদালতে আর জি কর মামলার চার্জ গঠন হল। ঘটনার ৮৭ দিন ও সিবিআই চার্জশিট পেশ করার ২৮ দিনের মাথায় চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হল। তবে সিবিআইয়ের মতে, সঞ্জয় রায় যে একাই এই কাণ্ডে যুক্ত, তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

এদিন আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, “আমরা কিছু প্রমাণ পেয়েছি, যার মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে এই দু’জন (সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল) একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন ঘটনার পর”। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, কেন ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল, সেই তদন্ত চলছে এখনও।

আসলে চার্জ গঠনের পরই শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া। আগামী ১১ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন এই মামলার শুনানি হবে। ফলে অনেকেরই মনে ধারণা তাহলে কী তদন্ত শেষ হয়ে গেল? এই বিষয়ে সিবিআই স্পষ্ট জানায়, “চার্জশিটে আমরা বলিনি ওই সিভিক ভলান্টিয়ার একাই যুক্ত। ওঁর বায়োলজিক্যাল এভিডেন্স পাওয়া গিয়েছে, তাই ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতা মেনে ৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তার তদন্ত করা হচ্ছে”। 

সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে যে এখনই ক্লিনচিট দিচ্ছে না সিবিআই, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে সন্দীপ ও অভিজিতের নাম না থাকলেও তথ্য প্রমাণ নষ্টের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। ফলে ফের তাদের হেফাজতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এদিন আদালতে সিবিআইয়ের পাল্টা আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের আইনজীবী বলেন, “তথ্য প্রমাণ নষ্টের আশঙ্কা করছে সিবিআই। সেটাও তো জামিনযোগ্য। ঘটনার কথা জানানোর জন্যেই তো ওসি অভিজিৎকে ফোন করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ”।

আরও পড়ুনঃ ‘আমি কিছু করিনি, আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে…’, মুখ খুলল আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয়, সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে শুরু চার্জ গঠন

অন্যদিকে, এদিন অভিজিত্ত মণ্ডলের আইনজীবী জানান, “একজন থানার ওসিকে এই ধরনের ঘটনার পর ফোন করবেন অধ্যক্ষ এটাই বাস্তব। তাহলে কীভাবে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত তিনি”? দুজনের বিরুদ্ধেই যে আপাতত তদন্ত চলবে, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে এদিন সিবিআই।  

RELATED Articles