গতকাল, রবিবার বিকেলেই নবান্নের তরফে লোকাল ট্রেন নিয়ে যে ঘোষণা করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনেকের মনেই। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান মিম বানানো হচ্ছে, চলছে মশকরাও। এবার এসবের ভালোভাবে ব্যাখ্যা দিল রেল।
গতকাল মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানান যে সন্ধ্যে সাতটার পর লোকাল ট্রেন আর চলবে না। এই নিয়েই তৈরি হয় ধোঁয়াশা। যদি এমন হয় যে সন্ধ্যে ৬টা ৩৫ মিনিটে হাওড়া থেকীক্তি বর্ধমান লোকাল ছাড়ল। তা শেওড়াফুলিতে এসে পৌঁছবে সন্ধ্যে সাতটায়। তখন কী হবে? সেই ট্রেন কী তবে শেওড়াফুলিতেই দাঁড়িয়ে থাকবে?
রেলের তরফে জানানো হয়েছে যে, এমন কোনও ব্যাপার নয়। নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত ট্রেন ছাড়া হবে। যদি দেখা যায় যে হাওড়া থেকে সন্ধ্যে ৬টা ৫৮ মিনিটে কোনও বর্ধমান লোকাল রয়েছে, তাহলে তা ছাড়বে ও বর্ধমান পৌঁছবে। বর্ধমান থেকে হাওড়াগামী ট্রেনের ক্ষেত্রেও সেই একই ঘটনা ঘটবে। একই নিয়ম হাওড়া ও শিয়ালদহের সমস্ত ট্রেনের ক্ষেত্রে হবে।
রেলের ত্রফেব এও জানানো হয়েছে যে সন্ধ্যে সাতটার পর স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন চলবে। এতে সরকারি কর্মচারী ও জরুরি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই উঠতে পারবেন। অন্য কেউ উঠলে জরিমানা করা হবে।
সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলবে, এ নিয়ে ধন্দ্ব দূর করতে রেলের তরফে জানানো হয়েছে যে সাতটার আগে পর্যন্ত যে ট্রেন থাকবে, সেটিই হবে শেষ লোকাল। যদি দেখা যায় যে শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালের সময় সন্ধ্যে ৬টা ৫০ মিনিট। তাহলে সেটিই হবে শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর যাওয়ার শেষ লোকাল ট্রেন।





