আশঙ্কাই সত্যি হল। গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে মিগজাউম। যদিও স্থলভাগের দিকে আসার সময় ধীরে শিরে শক্তি হারাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। আপাতত উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। তবে শক্তি হারালেও দাপট দেখাবে মিগজাউম। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে বাংলায় একাধিক জেলায়। বাংলার ১৭ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
এই মরশুমে মূলত পাকা ধান তোলা হয়। আলু চাষও হয় এই সময়। কিন্তু বাধ সাধল ঘূর্ণিঝড়। মিগজাউম যতই ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাক না কেন, বাংলার রেহাই নেই। এর প্রভাবে বাংলায় যে বৃষ্টি হবে তাতে দুর্যোগ হবে না ঠিকই, কিন্তু ক্ষতি হবে চাষবাসে। ধান থেকে আলু সমস্ত কিছুতেই ক্ষতি আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কোথায় কোথায় হবে বৃষ্টি?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকবে। জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ বুধবারও কলকাতা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আগামীকাল, বৃহস্পতিবারও বাংলার সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলা–উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আবার উত্তরবঙ্গের আটটি জেলা- দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস।
জানা যাচ্ছে, আগামী শুক্রবারের পর থেকে আকাশ ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে পারে। আজ, বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ ডিগ্রি বেশি। মেঘ কাটলে মাঝ ডিসেম্বরে ঠান্ডা বাড়তে পারে। সেই শীত উপভোগ করবে বঙ্গবাসী।






