তিলোত্তমার ধর্ষন ও খুনের মামলায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। আর জি করে (RG Kar Case) কি তিলোত্তমাই প্রথম? নাকি সাদা চাদরের আড়ালে লুকিয়ে কালো সত্য? একের পর এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে রহস্যটা ঠিক কী? খবর ২৪×৭-এর ওয়েব পাতায় রইল আরজি করে পঁচিশ বছর ধরে ঘটে চলা এমনই কিছু রহস্যময় ঘটনার খন্ডচিত্র।
২০০১: সৌমিত্র বিশ্বাস- ৫ই অগস্ট আরজি করের হোস্টেলের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলেছিল চতুর্থবর্ষের ছাত্রের দেহ। অভিযোগ মৃ’ত’দে’হের সঙ্গে যৌ’ন স’ঙ্গ’ম, কলেজ হোস্টেলে প’র্ন’গ্রা’ফি’র চক্রের কথা জেনে প্রতিবাদ করেছিলেন ছাত্র। অপকর্ম ফাঁস করতে চেয়েছিলেন। তাই কী হত্যার পরিকল্পনা? এক্ষেত্রেও তড়িঘড়ি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন ‘ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে’।
২০০৩: অরিজিৎ দত্ত- ২০০৩-এর ৫ই ফেব্রুয়ারি আত্মঘাতী হয়েছিলেন হাসপাতালের হাউস স্টাফ ও ডক্টর অরিজিৎ দত্ত। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট বলছে, তিনি প্রথমে অ্যানাসথেসিয়া করে ব্লেড দিয়ে নিজের হাতের শিরা কাটেন। তারপর বাকি শিরাগুলি সার্জারির কাঁচি দিয়ে কাটেন। সবশেষে মেইন হোস্টেলের ছাদ থেকে লাফ দেন।
২০০৩: প্রবীণ গুপ্তা- অরিজিতের মৃত্যু কয়েকদিন পর ১৮ই ফেব্রুয়ারি একই ধাঁচে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন হরিয়ানার বাসিন্দা চতুর্থবর্ষের ছাত্র। গভীর রাতে দুই হাতের কব্জির শিরা কেটে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। আজ অবধি এ প্রসঙ্গে নীরব তিনি।
২০১৬: ডা. গৌতম পাল- আর জি করে মেডিসিনের অধ্যাপক ছিলেন ডা. গৌতম পাল। দক্ষিণ দমদমে তাঁর বাসভবন থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫২ বছর বয়সী ডাক্তারের পচাগলা মৃতদেহ। দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। দরজা খুলে একটি ঘরে ঢুকে প্রথমতলার একটি ঘর থেকে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ। মেলেনি সুইসাইড নোট।
২০২০: পৌলোমী সাহা- সময়টা ছিল কোভিড মহামারীর। ১লা মে, ২০২০। মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল দ্বিতীয়বর্ষের স্নাতকোত্তর ট্রেনি চিকিৎসক পৌলোমী সাহার। আরজি করের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ের ছ’তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে সেই তরুনী। এক্ষেত্রেও মেলেনি সুইসাইড নোট।
২০২৩: শুভ্রজ্যোতি দাস- ১৩ই অগস্ট ড্রাগ ওভার ডোজে মৃত্যু হয় ইন্টার্ন চিকিৎসক শুভ্রজ্যোতি দাসের। আরজি কর থেকেই এমবিবিএস পাশ করে, সেখানেই ইন্টার্নশীপ করছিলেন তিনি। নিজেই কী অনেকগুলো অ্যান্টি ডিপ্রেশনের ওষুধ খেয়েছিলেন? নাকি কেউ খাইয়েছিল? উত্তর আজও অজানা।
২০২৪: তিলোত্তমা (নাম পরিবর্তিত)- আর জি করের চার তলার সেমিনার হলে অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল পিজিটি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়ের নিম্নাঙ্গে কোনও কাপড় ছিল না। শরীরে ছিল একাধিক মারের দাগ। ময়নাতদন্তে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ। কেন খুন হলেন তরুণী? ব্যক্তিগত আক্রোশ? নাকি এমন কিছু জেনে ফেলেছিলেন যা প্রকাশ্যে এলে বিপাকে পড়তেন তাবড় ব্যক্তিত্বরা?
এছাড়াও ১৯৯৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে আরও এক হাড়হিম করা রহস্য মৃত্যু ঘটে আর জি করের ডাক্তার মধুসুদন সাউয়ের সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও তথ্য মেলেনি কোনও সূত্রেই।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!