দুর্ধর্ষ ডাকাতি এসবিআই ব্যাঙ্কে, লকার ভেঙে সর্বস্ব লুঠ, মাথায় হাত গ্রাহকদের

আর পাঁচটা দিনের মতোই ব্যাঙ্কের শাটার খুলে ব্যাঙ্কে ঢুকেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কিন্তু সপ্তাহের প্রথমদিনেই ব্যাঙ্কে ঢুকে তারা যা দেখলেন, তাতেই আত্মারাম খাঁচা হয়ে গিয়েছিল তাদের। তারা দেখেন ব্যাঙ্কের লকার  ভাঙা আর লকার থেকে উধাও সর্বস্ব।

দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে মহেশতলার স্টেট ব্যাঙ্কে। গত শুক্রবার নির্ধারিত সময়ে লকার ঘরে তালা দিয়ে ব্যাঙ্ক বন্ধ করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। গত শনিবার চতুর্থ শনিবার হওয়ায় বন্ধ ছিল ব্যাঙ্ক। রবিবারও ব্যাঙ্ক বন্ধ। দু’দিন বন্ধ থাকার পর আজ, সোমবার যখন নিরাপত্তারক্ষীরা যখন ব্যাঙ্ক খোলেন, সেই সময় দেখেন লকার ভাঙা।

এমন ঘটনা দেখতেই দ্রুত খবর দেওয়া হয় ব্যাঙ্কের ম্যানেজার-সহ কর্মীদের। তারা এসে দেখেন লকারের ভিতরে কিচ্ছু নেই। সব ফাঁকা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যাঙ্কের ভিতরের সিসিটিভির তার কাটা ছিল। ডিভিআর-ও গায়েব। লকার থেকে কত টাকা বা সোনা লুঠ হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জানা গিয়েছে, রাতে ব্যাঙ্কে কোনও নিরাপত্তারক্ষী থাকে না। সেই সুযোগেই লুঠ করে পালায় ডাকাতরা। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কের ভল্ট ও পেছনের দরজা ভাঙা ছিল। এই ডাকাতির কথা জানাজানি হতেই ব্যাঙ্কে ছুটে আসেন গ্রাহকরা। তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ব্যাঙ্কে ডাকাতি হয়েছে। এখন ব্যাঙ্কে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাদের লকারে রাখা সম্পত্তি আদৌ সুরক্ষিত রয়েছে কী না, তা জানতে চান তারা। কিন্তু ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তা স্পষ্ট করে জানায়নি বলে অভিযোগ।   

আরও পড়ুনঃ ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কটু কথা বললে জিভ টেনে ছিঁড়ে দেব…’, বিরোধীদের উদ্দেশে হুমকি তৃণমূল নেতার, বিতর্কে ঘাসফুল শিবির

এই প্রসঙ্গে ব্যাঙ্কের এক গ্রাহক বলেন, “প্রথমে ব্যাঙ্ক থেকে বলা হল, তদন্ত হবে, তারপর বলা হবে। এখন জানতি পারছি পাবলিক লকার সুরক্ষিত রয়েছে। নোটিস টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে আমরা একটু হলেও শান্তি পেলাম। কাল আবার ব্যাঙ্কে আসতে বলা হয়েছে। ফিঙ্গার প্রিন্ট চেক হবে। ব্যাঙ্কে আরও নিরাপত্তারক্ষী বাড়ানো উচিত। আজ কপালের জোরে পাবলিক লকারটা বেঁচে গিয়েছে, কাল নাও থাকতে পারে”।

RELATED Articles