‘মুড়ি বেচার টাকা নাকি চাকরি চুরির, দিদিভাই জবাব দিন’, পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার নিয়ে মমতাকে ধুয়ে দিলেন রুদ্রনীল

গতকাল থেকে রাজ্যে যে ধুন্ধুমার শুরু হয়েছে, তা যে এত সহজে মেটবার নয়, তা সকলেরই জানা। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, শুক্রবার ইডি তল্লাশি চালায় রাজ্যের ১৪টি জায়গায়। তল্লাশি চালানো হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এরই মধ্যে গতকাল সন্ধ্যের সময় পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিযান চালাতেই বেরিয়ে আসে অনেক সত্য।

এদিন ইডি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি করে ২১ কোটি টাকা, ২০টি মোবাইল ও ৫০ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার করে। এই নিয়ে গতকালই সোশ্যাল মিডিয়ায় শাসকদলকে তোপ দেগে রুদ্রনীল ঘোষ কটাক্ষ করেছিলন, “দুয়ারে গর্ত”।

আজ, শনিবার ইডি গ্রেফতার করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, দু’জনকেই। আর এবারও ফের নিজের চেনা ছন্দেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। নিজের চেনা স্বভাবেই প্যারোডি করে রুদ্রনীল বললেন, “২১ জুলাইয়ের মঞ্চে মুড়ি বেচে ২২ জুলাই অর্পিতার ফ্ল‍্যাটে ২০ কোটি! রুদ্রনীলের প্রশ্ন, মুড়ি বেচার টাকা নাকি চাকরি চুরির? নিজের সিগনেচার প‍্যারোডির ঢঙে তাঁর কটাক্ষ, তৃণমূলের দূর্গাপুজোয় এই অর্পিতারাই মুখ। নেতাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ হলেই পাবে অপার সুখ”।

শাসক শিবিরকে একহাত নিয়ে রুদ্রনীলের কটাক্ষ, টাকা দিলেই এই রাজ্যে চাকরি পাওয়া যায়। টাকা খেয়েই তৃণমূল টিকে রয়েছে বলে তোপ রুদ্রনীলের। তাঁর কথায়, যোগ্যরা রাস্তায় বসে রয়েছে আর অযোগ্যরা গদিতে। নিজের এই প্যারোডিতে জনগণ-সহ নিজেকেও দুষেছেন রুদ্রনীল। কারণ রাজ্যের মানুষই তো এইসব নেতা-মন্ত্রীদের জিতিয়ে আসনে বসিয়েছেন। রুদ্রনীল এও বলেন যে এবার হয়ত কোনওদিন হাওড়া ব্রিজের নাটবল্টু খুলেও বেচে দেবে তৃণমূল।  

বেশ হুঙ্কারের সুরেই এদিন বিজেপি নেতা বলেন, এখন সবে শুরু হয়েছে। তাঁর কথায়, ২০ কোটি দিয়ে শুরু আর সেটা গিয়ে যদি ১০০ কোটিতে দাঁড়ায়, তাহলেও কেউ অবাক হবেন না। রুদ্রনীল এও বলেছেনযে এই নীল-সাদা রঙ আর বেশিদিন নেই। এই সরকারের পতন অনিবার্য।

আরও অন্যান্য খবর