আগের বার যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। এবারের লোকসভা ভোটে সেই কেন্দ্র থেকেই দাঁড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। লোকসভা ভোট দোড়গোড়ায় তাই প্রচার তুঙ্গে। যাদবপুরের রাস্তায় রাস্তায় সায়নীকে দেখা যাচ্ছে প্রচার করতে। রাস্তাঘাট বাজার নয়, প্রচার করতে তিনি পৌঁছে গেছেন যাদবপুরের হরিসভায়। হরিসভায় গিয়ে হরিনাম গান গাইতে দেখা যায় সায়নীকে (Saayoni Ghosh)। তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে প্রচার করতে নয় আর বাকি পাঁচজনের মতো সাধারণভাবেই হরিনাম গান গাইছিলেন ভক্তদের সাথে মিলে।
লোকসভা ভোটের আগে প্রত্যেকটি দলই জমিয়ে প্রচার চালাচ্ছে। তাদের মধ্যে কিছু ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটা দেখা যাচ্ছে নীল কুর্তি সাদা প্যান্ট ওড়না গায়ে হরিসভায় গায়কের সঙ্গে নেচে নেচে হরিনাম গাইছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সায়নী ঘোষ। ভক্তদের সাথে মিশে গিয়েছেন তিনি মেতে উঠেছেন কৃষ্ণ নামে।
এই ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি এক্স হ্যান্ডেলে এই ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, “বাড়ি ফেরার সময় এক দারুণ দৃশ্য দেখলাম। যাদবপুরের এবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) একটি জনপ্রিয় কৃষ্ণ গান গাইছেন আমাদের অঞ্চলের একটি কীর্তনে। এই অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর আমাদের পাড়ায় স্থানীয় হরিসভার তরফে আয়োজন করা হয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে। এবার এই তিথি দোল পূর্ণিমার সঙ্গে একই দিনে পড়েছিল”।
কিছুদিন আগে সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) প্রচারের ছবি ধরা পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। সোনারপুরে হুটখোলা জিপে প্রচার করছিলেন তিনি। পরনে ছিল সাদা চুরিদার, মাথায় ওড়না দিয়েছিলেন। তবে সেখানকার লোকেরা মোটেই পছন্দ করেনি সায়নীকে (Saayoni Ghosh)। সোনারপুর এলাকার স্থানীয় লোকেরা সায়নীকে দেখে বেজায় বিরক্ত হন। এমনকি সোনারপুর বাসিন্দারা সায়নীর উদ্দেশ্যে ক্ষোভ উগরে দিতে থাকেন। সোনারপুরের বাসিন্দারা বলতে থাকেন, “জল নেই, রাস্তা নেই। ভোট দেব না আমরা”। সায়নীর প্রচারের সময় যারা রাস্তার পাশে ভিড় জমিয়েছিলেন তারাই সায়নীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
এদিন স্থানীয়রা সায়নীকে (Saayoni Ghosh) বলেন, “জল নেই, রাস্তা খারাপ। আমরা ভোট দেব না।’ তখন উত্তরে সায়নী বলেন, ‘ভোট না দিলে রাস্তা তৈরি হয়ে যাবে?’ উত্তরে তাঁরা বলেন, ‘কাউকেই ভোট দেব না আমরা। দরকার নেই ভোটের। ভোট দিলেও কিছু ঠিক হবে না, না দিলেও কিছু হবে না।’ সায়নী ফের বলেন, ‘টাকা ছাড়া কোনও কাজ হবে না। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না সেটার বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। কিন্তু তার জন্য আগে সাংসদে যেতে হবে”।





