আর জি কর কাণ্ডের প্রেক্ষাপটে শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছেন তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা প্রান্তিক চক্রবর্তী ও তৃণমূল যুবনেত্রী রাজন্যা হালদার। দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে তাদের দু’জনকেই সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। এবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে কটাক্ষ শানালেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।
রাজন্যা-প্রান্তিককে সাসপেন্ড করার ঘটনায় পরোক্ষভাবে অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ টানলেন সজল ঘোষ। নাম না নিয়ে তিনি বলেন, “গরু চুরি করলে দল বিরোধী নয়, বরং গরু চোর জেল থেকে বেরিয়ে এলে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আর সিনেমা করলে সেটা দল বিরোধী! এটাই তৃণমূল”।
সজল ঘোষের দাবী, “আর জি করের ঘটনায় তৃণমূলের মুখোশ খুলে গেছে। প্রতিবাদে লক্ষ লক্ষ মানুষ পথে নেমেছে। তাই তিলোত্তমা নিয়ে কোনও শব্দ ব্যবহার হলে শাসকদলের নেতারা রেগে যাচ্ছেন। সহ্য করতে পারছেন না”।
তবে ছবি বানানো নিয়ে রাজন্যাকে সমর্থন করলেও তাঁর রাজনৈতিক সত্ত্বা নিয়ে খোঁটা দেন সজল। বলেন, “রাজন্যাদের কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্ত্ব আছে কি? তাহলে এত গুরুত্ব দেওয়ারই বা কী আছে”?
প্রসঙ্গত, আর জি কর কাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই একটি শর্টফিল্ম তৈরি করেছেন তৃণমূল নেতা প্রান্তিক চক্রবর্তী। সেই ছবিতে অভিনয় করেছেন রাজন্যা হালদার। আগামী ২ অক্টোবর অর্থাৎ মহালয়ার দিন এই শর্টফিল্ম মুক্তি পাওয়ার কথা। তবে এর আগেই দলের কোপের মুখে দু’জন।
যদিও তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের কথায়, এই শর্টফিল্মের সঙ্গে নাকি তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “এই স্পর্শকাতর বিষয়কে প্রচারে ব্যবহার করার চেষ্টার আমরা বিরোধী। দল এবিষয়ে কিছুই জানত না। যে বা যারা এর সঙ্গে জড়িত, খতিয়ে দেখে, কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতৃত্বকে বলা হয়েছে”।
আরও পড়ুনঃ ‘তিন কোটি তৃণমূল কর্মীর মধ্যে ১০ হাজার নামলে কী হবে বুঝে দেখুন…’, দলনেত্রীর নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফের জুনিয়র চিকিৎসকদের হুমকি হুমায়ুনের
দলের এই শাস্তি মাথা পেতে নিয়েছেন রাজন্যা। তবে তাঁর কথায়, “প্রচ্ছদ দেখে গোটা উপন্যাস বিচার করা ঠিক নয়”। যদি কোনও পরিবর্তন না হয়, তাহলে ২ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে রাজন্যার এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি।





