কোনও রকম ভাবেই ডিএ বাকি রাখা চলবে না। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিতেই হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। বুধবার কর্মচারী সংগঠনগুলির দায়ের করা মামলায় এই রায় দিল স্যাট। স্যাটের বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ ও প্রশাসনের প্রতিনিধি সুবেশকুমার দাস বুধবার রায়ে এমনটাই জানিয়েছেন।
তবে বর্তমান সময় বিশ্লেষণ করে রাজ্য সরকারকে সাময়িক স্বস্তি দিয়ে স্যাটের রায়ে জানানো হয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে বকেয়া ডিএ দেওয়া সম্ভব না হলে তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। গতবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের ২৬ জুলাই রাজ্য সরকারকে কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে নির্দেশ দিয়েছিল স্যাট। কিন্তু রাজ্য সরকার বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটায়নি। এর পর ফের আদালতে মামলা করে কর্মী সংগঠনগুলি। অন্যদিকে পিছিয়ে থাকেনি রাজ্যও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য স্যাটের দ্বারস্থ হয় সরকার। গত ৩রা মার্চ সেই আবেদনের শুনানি শেষ হয়। তার পর আজ বুধবার রায় দান হল।
২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার। এমন নয় যে সরকার দয়া করে মহার্ঘ ভাতা দিচ্ছে। বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পরিমান ২১ শতাংশ। উক্ত পরিস্থিতিতে স্যাটের এমন রায়ের ফলে আরও প্যাঁচে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!