গতকাল সকালে হুগলির গোঘাট স্টেশন থেকে কিছুটা দূরে একটি বাগানের মধ্যে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বিজেপি (BJP) কর্মী গণেশ রায়ের (Ganesh Roy) দেহ। গোটা ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগ ছিল তৃণমূলের দিকে। কিন্তু এবার উঠল মারাত্মক অভিযোগ। আরামবাগের এসডিপিও (Arambagh SDPO) নিহতের পরিবারকে লুকিয়ে রেখেছেন! সেই কারণে তাদের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

এই অভিযোগের প্রতিবাদে এবার আজ সকালে আরামবাগের এসডিপিও অফিসের সামনে ধর্নায় (Dharna) বসলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ তথা বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan), রাজ্য বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি রাজু সরকার ও তাপস ঘোষ সহ বিজেপির অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা।

তাদের দাবি, গণেশ রায়কে বাড়ি থেকে শনিবার রাতে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী, এরকমটাই অভিযোগ করেছিলেন গণেশ বাবুর পরিবার। আর তারপর থেকেই তাদের দেখা মিলছে না কারণ আরামবাগের এসডিপিও তাদেরকে কোনো গোপন স্থানে সরিয়ে দিয়েছেন। যাতে তারা সংবাদ মাধ্যম বা অন্য কোথাও ঘটনার সঠিক বিবরণ দিতে না পারেন। এছাড়াও আজ হুগলি জেলাতে একজন মহিলাকে ধর্ষণ করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

গোটা জেলায় রীতিমতো অনাচার চলছে, এমনকি এই বিষয়ে খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের মারধর করছে শাসক শিবিরের লোকজন। তাই অবিলম্বে আরামবাগের এসডিপিও কে অপসারণের দাবি তুলেছে বিজেপি আর সেই দাবি নিয়ে আজ আরামবাগের এসডিপিও অফিসের সামনে ধরনায় বসেছেন সৌমিত্র খাঁ সহ বিজেপির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য শীর্ষ নেতৃত্ববৃন্দ। যদিও তৃণমূলের দাবি, গোটা ঘটনাটি বিজেপির নিজস্ব গোষ্ঠী কোন্দল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোন যোগ নেই। কিন্তু একুশের নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই যেভাবে একের পর এক বিজেপি কর্মীকে একই কায়দায় হত্যা করা হচ্ছে তাতে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়ছে শাসক শিবির।






