হাওড়ার ডুমুরজোলা স্টেডিয়ামে বিজেপি মহা যোগদান পর্বে ভুল জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া নিয়ে বিজেপিকে তুলোধোনা করে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ভুল জাতীয় সঙ্গীতের ভিডিও টুইট করে অভিষেককে ‘খোকনসোনা’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা।
এদিন একটি বিজেপির সভাশেষে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার একটি ভিডিও টুইট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের কথা প্রচার করে বেড়ায়, তাঁরা জাতীয় সঙ্গীত নির্ভুলভাবে গাইতে পারে না”। বিজেপিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এই দেশবিরোধী কাজের জন্য কী নরেন্দ্র মোদী না অমিত শাহ ক্ষমা চাইবেন?” তাঁর এই টুইটের মোক্ষম জবাব দিয়েছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা। তৃণমূলের সভার একটি পুরনো ভিডিও টুইট করেন তিনি। ভিডিওতে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ভুল জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শোনা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও। এই ভিডিও শেয়ার করে শঙ্কুদেব ক্যাপশন দেন, “খোকনসোনা শুনলে! এবার কি বলবে!”
https://twitter.com/shankudebbjp/status/1355862003919642629?ref_src=twsrc%5Etfw
অভিষেকের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও। তাঁর স্পষ্ট কথা, “মঞ্চে দাঁড়িয়ে এতগুলো মানুষ ভুল জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা দরকার। কোথাও কোনও শব্দের বিচ্যুতি ঘটতে পারে, তা সেটা ব্যক্তিগত। কোনও একজন ভুল করতে পারেন। জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে রাজনীতি করা লজ্জাজনক”।
প্রসঙ্গত, এদিন হাওড়ার ডুমুরজোলাতে ছিল বিজেপির মহা যোগদান মেলা। এদিনের সভাতে তৃণমূল থেকে বেশ কিছু মানুষ বিজেপিতে যোগ দেন। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেত্রী স্মৃতি ইরানি। সভায় অংশ নেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রবীর ঘোষাল। এদিন সভার শেষে স্মৃতি ইরানি, দিলীপ ঘোষ-সহ আরও নানান বিজেপি নেতা একসঙ্গে গলা মিলিয়ে জাতীয় সঙ্গীত গান। গানের শেষভাগে ‘জনগণ মঙ্গলদায়ক’র পরিবর্তে ‘জনগণমন অধিনায়ক’ গাওয়া হয়েছে বলে দাবী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন তরজা।





