‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেইও দেশে লাগু হবে সিএএ’, লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে গ্যারান্টি শান্তনু ঠাকুরের, পাল্টা তোপ কুণালের

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এই মুহূর্তে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। সকলেই নিজেদের মতো করে জমি শক্ত করার চেষ্টায় রয়েছে। এমন আবহে এবার ফের একবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বা সিএএ নিয়ে মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে লাগু হবে সিএএ, এমনটাই দাবী বনগাঁর বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের।   

কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

গতকাল, রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের নিশ্চিন্দপুরে বিজেপির বুথ কর্মী সম্মেলন ছিল। এই কর্মী সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “ভারতবর্ষে সিএএ লাগু হবে এই গ্যারান্টি দিয়ে গেলাম। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের প্রতিটি রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ লাগু হবে। সেটা আপনারা দেখবেন। এই গ্যারান্টি মঞ্চ থেকে দিয়ে যাচ্ছি”।

কী প্রতিক্রিয়া কুণালের?

শান্তনু ঠাকুরের এহেন মন্তব্যের পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে খোঁচা দিতে ছাড়েন নি তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “ভোট এলেই এভাবে ধর্মীয় মেরুকরণের কথা শুরু হয়। বিএসএফ শাহের হাতে। তিনি করলে করতে পারতেন। এখনও করতে পারেননি”।

তবে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্যে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের দাবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এক গ্যারান্টি আসলেই ভিত্তিহীন। লোকসভা নির্বাচনের জন্য এটা একটা ভোট আদায়ের কৌশল মাত্র। কারণ এমন প্রতিশ্রুতি এর আগেও বহুবার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি আসলে বাস্তবে রূপ পায়নি। আর এবারেও তা হবে না বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

প্রসঙ্গত, সরকার গঠনের পর থেকেই সিএএ নিয়ে আওয়াজ তুলেছে বিজেপি। ২০১৯ সালে এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ করা হয়। তবে আইনি জটিলতায় তা এখনও কার্যকর হয়নি। এই নিয়ে সাধারণ মানুষদের মধ্যেও উত্তেজনার অন্ত নেই। কবে আদৌ সিএএ কার্যকর হবে, তা এখনও অনিশ্চিত।  

আরও অন্যান্য খবর