বেকারত্বের জ্বালায় গান বাঁধল এক যুবকের দল, নিশানার তীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেখে নিন সেই ভাইরাল ভিডিও

রাজ্যে বেকারত্ব দিনদিন মাত্রা ছড়াচ্ছে। বেকারত্বই এখন পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে কঠিন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই নিয়ে অনেক প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল করা হলেও, ফলাফল মেলেনি। এম এ, বি এড পাশ করা উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণীরা জীবিকা নির্বাহের জন্য বেছে নিচ্ছেন অন্য পেশা যা হয়ত তাদের যোগ্যতার মধ্যে পড়ে না। কিন্তু কি করবে? পেট তো চালাতে হবে। তাই সরকারের উপর নির্ভর না করেই জীবন অতিবাহিত করার চেষ্টা মাত্র।

রাজ্যে চাকরির পরিস্থিতি সত্যিই কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার প্রমাণ মিলেছে কিছুদিন আগেই। বন দফতরের একটি চাকরির জন্য বন সহায়কের শূন্যপদ ছিল মাত্র ২ হাজার। অষ্টম শ্রেণীর যোগ্যতায় এই চাকরির জন্য আবেদনপত্র জমা পড়েছিল প্রায় ২০ লক্ষ। তাদের মধ্যে একটা বড় অংশ ছিল এম এ, এম এস সি, পি এইচ ডি-এর মতো উচ্চ শিক্ষিত যুবক।

বন সহায়কের কাজ মানে সাধারণত যা করতে হয়, তা হল চারাগাছ পোঁতা, হাতি তাড়ানো, বন পাহারা দেওয়া, এসবই। সব জেনেশুনেই এই চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন লক্ষ লক্ষ উচ্চ শিক্ষিত যুবক। এতো আবেদন পত্র জমা পড়ে যে শেষ পর্যন্ত ৪৫টি বিশাল বস্তায় ভরা হয় এই আবেদনপত্রগুলি।

এই বেকারত্বের চিত্র সর্বত্রই। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কেটে যায় কিন্তু ভাগ্যের শিকেয় ছেঁড়ে না বেশিরভাগ যুব সমাজের। রাজ্যের এই বেকারত্বের দুর্দশাকে কেন্দ্রে রেখেই গান বেঁধেছেন একদল যুবক। গানের প্রত্যেক লাইনে বেকারত্বের বিষয়েরই ছাপ। তাদের এই গানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তীর বিঁধেছে ওই যুবকেরা। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হতেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। ইতিমধ্যেই প্রায় দেড় লক্ষের বেশী মানুষ দেখে ফেলেছেন এই ভিডিওটি। কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব নিয়ে তাদের এই গানের সঙ্গে সহমত হয়েছেন অনেকেই। গানটি নিয়ে প্রচুর ইতিবাচক কমেন্ট করেছেন নেট দুনিয়ার মানুষ। প্রতি মুহূর্তে লাফ দিয়ে বাড়ছে ভিউস ও লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের সংখ্যা।

RELATED Articles