তখনও বিধানসভা নির্বাচনের বেশ কিছু সময় বাকি ছিল। তৃণমূলকে সরাতে যজ্ঞও করেছিলেন সৌমিত্র বাবু। রাজনৈতিক মহলের দাবি, সেই সময় বিষ্ণুপুরের ষাড়েশ্বর শিবমন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন তিনি।
সেই ধারা বজায় রেখে এবারও মস্তক-মুণ্ডন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সৌমিত্র। মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পর তিনি নিজের চুল কাটার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর দাবি ছিল,’ মোদীজিকে সঙ্গে নিয়ে সোনার বাংলা তৈরির সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। বাংলার রাজনীতিতে মুকুল রায় মিরজাফর। আমি মনে করি তিনি মৃত।’ আর সেই কারণেই হিন্দু রীতি মেনে মস্তক মুণ্ডনের সিদ্ধান্ত জানান তিনি।
তবে এটা খবর নয়। খবর হচ্ছে সাংসদ আর ন্যাড়া হতে চাইছেন না। আর এতেই রীতিমতো শোরগোল পড়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। সাংসদ ন্যাড়া হতে চাইছেন খবর পেয়ে তাকে নিষেধ করে বিজেপির উপর মহল। আর কড়া নির্দেশ পেয়ে এখন বেঁকে বসেছেন সাংসদ!
কী বলছেন সৌমিত্র খাঁ? সংবাদমাধ্যমের কাছে বিজেপি সাংসদের দাবি করে বলেছেন, ‘ দলের নির্দেশে নয়। আমার বাবা, মা এখনও জীবিত। সেই অবস্থায় ন্যাড়া হওয়া ঠিক নয় বলে বাবা আপত্তি করেন। তাই ঘোষণা করলেও ন্যাড়া হইনি।’
কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞমহল কিছু অন্যই বলছে। এমনিতেই তৃণমূলের কাছে বিরাট ব্যবধানে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে বিজেপি। এই অবস্থায় সৌমিত্র খাঁ মস্তক-মুণ্ডন করেলে রাজ্য নেতৃত্তের অস্বস্তি আরও বাড়বে বৈ কমবে না! আর সেই জন্যই তাঁকে চুল কাটতে নিষেধ করা হয়েছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার