কাল থেকেই দেশজুড়ে খোঁজ পড়বে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের। কারণ সামনেই করোনার তৃতীয় ঢেউ আসছে। আর এতে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শিশুদের। সেই কারণেই দিল্লিতে অবস্থিত অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে বা এইমস-এ শুরু হতে চলেছে শিশুদের উপর ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল। শিশুদের ওপর এই পরীক্ষা সফল হলে তারপর ২ থেকে ৬ বছর বয়সীদের উপর শুরু হবে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ।
এই তৎপরতার পিছনে, বিশেষজ্ঞদের মত, সর্বস্তরে টিকাকরণ না হলে অতিমারীর তৃতীয় ঢেউ আরও বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে। বাঁচানো সম্ভব হবেনা শিশুদের। কারণ সব থেকে বেশি আশঙ্কা থাকছে তাঁদের ওপরেই।
কোভ্যাকসিন ২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য কতখানি উপযুক্ত তা খতিয়ে দেখতেই এই ট্রায়াল। যাদের উপর টিকা প্রয়োগ করা হবে, তাদের অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হবে। তাদের রক্ত পরীক্ষা করানো হবে। এর জন্য রক্তের নমুনা নেওয়া হবে। সেই রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে এলে শুরু হবে কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল l
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতবর্ষে এই মুহূর্তে তিনটি প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে, কোভ্যাকসিন, কোভিশিল্ড ও রাশিয়ার স্পুটনিক ভি। জানা গিয়েছে শিশুদের ওপর, মোট তিন ধাপে ভ্যাকসিনেশন ট্রায়াল চলবে ৷ প্রথমধাপে ১২-১৮ বছরের মধ্যে হবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। তার পর ৬-১২ বছরের মধ্যে এবং সবশেষে হবে ২-৬ বছরের শিশুদের মধ্যে ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল।





