বেশ চলছিল সভা। নিজেদের মতো করে একের পর এক বক্তব্যও রাখছিলেন তৃণমূল নেতারা। এমন সময়েই ঘটল বিপত্তি। হঠাৎই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল প্রতিবাদ মঞ্চ। এরপরই একে একে সমস্ত নেতারা সভা ছেড়ে ছুট। শেষমেশ বানচাল হল তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা।
ঘটনাটি ঘটেছে খোদ তৃনমূলেরই আঁতুড়ঘর নন্দীগ্রামে। গতকাল, মঙ্গলবার বিকেলে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া এক এলাকায় একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে শাসকদল। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃনমূল সভাপতি স্বদেশ দাসের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংশোধিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় তারা। সভা চলাকালীন একের পর এক তৃণমূল নেতারা ভাষণ দিচ্ছিলেন। এই সময়ই আচমকাই ভেঙে পরে সভামঞ্চ। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জে, এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।
এদিনের প্রতিবাদ সভায় কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছিল। সভার কারণে বেশ ভিড়ও জমায়েত হয়। মঞ্চের মধ্যেও বেশ ভিড় জমে যায়। এই ভিড়ই কাল হয়ে দাঁড়ালো। অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে ভেঙে পড়ল মঞ্চ। এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন আবু সুফিয়ানের মতো বড় নেতা থেকে শুরু করে ছোটো ও মাঝারি নেতা, কর্মী, সমর্থক সকলেই।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল নেতা পীযূষ ভূঁইয়া। নাম না করেই পরোক্ষভাবে শুভেন্দু অধিকারীকে দাগতে শুরু করেন তিনি। এরপরই ভেঙে পড়ে প্রতিবাদ মঞ্চ। তার আগে বক্তব্য রাখেন স্বদেশ দাস-সহ একাধিক নেতা। মঞ্চ ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে আবু সুফিয়ান বলেন, “কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার জন্য মঞ্চ বাঁধা হয়েছিল। কিন্তু মঞ্চের ওপর দলের বহু উৎসাহী কর্মী–সমর্থক উঠে আসায় এই বিপত্তি হয়েছে”। তিনি এও বলেন যে এই ঘটনায় কোনও নেতা, কর্মী বা সমর্থকের কেউ আহত হননি।





