দেড় বছরের শিশুর গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠল শিশুর মায়ের দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বিরুদ্ধে। দাম্পত্য জীবনের ‘বাধা’ কাটাতে একরত্তিকে খুন করেন শিশুটির সৎ বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার জীবনতলা থানায় ঘুটিয়ারি শরীফের পথের শেষ এলাকায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঘুটিয়ারি শরীফের পথের শেষ এলাকার বাসিন্দা টুকাই দাস। তাঁর প্রথম পক্ষের সন্তান ওই দেড় বছরের শিশু। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাঁর। দ্বিতীয়বার তিনি তপন দাস নামে এক ব্যক্তিকে ফের বিয়ে করেন। সন্তানকে নিজের কাছেই রেখেছিলেন টুকাই।
তবে তপন দাস চাইত যে তাদের আবারও সন্তান হোক। নিজের সন্তান থাকায় দ্বিতীয়বার আর মা হতে চাননি টুকাই। স্থানীয়দের দাবী, দেড় বছরের ওই সন্তানকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া লেগে থাকত টুকাই ও তপনের মধ্যে। ক্রমশই তপনের ওই শিশুটির উপর বিতৃষ্ণা তৈরি হচ্ছিল বলে জানায় স্থানীয়রা।
আর সেই থেকেই কেবল রাগের বশবর্তী হয়ে দেড় বছরের ওই একরত্তির গলা টিপে ধরে তপন। এর জেরে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। তবে খুনের কথা প্রথমে কাউকে জানাতে চায়নি সে। পরে টুকাই নিজেই তপনের বিরুদ্ধে ঘুটিয়ারি শরীফ থানায় অভিযোগ জানান। পুলিশ দ্রুত পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। শিশুটির দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঘটনায় তপনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দাম্পত্য জীবনে বাধাকে দূর করতেই তপন এই কাজ করেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে পুলিশের তরফে।
সন্তানের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন টুকাই। এই সত্যিটা যেন মানতেই পারছেন না তিনি। দ্বিতীয় বিয়ে করার ফল যে এমন হবে, তা হয়ত স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেন নি তিনি। নিজের দ্বিতীয় স্বামীর কঠোর শাস্তির দাবী করেছেন টুকাই।





