STF detained several suspected to have connection with terror module: ফের বাংলা থেকে মিলল জঙ্গিদের সন্ধান। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশী জঙ্গি সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে রাজ্যের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ। তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। আটকদের মধ্যে তিনজন সরাসরিই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে (STF detained several suspected to have connection with terror module)।
সূত্রের খবর, গতকাল, শনিবার বিকেলের দিকে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা থানা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নীরেপাড়া নামের এক এলাকায় এসটিএফ তল্লাশি চালায়। সেখান থেকেই এক ছাত্রকে আটক করেন আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, হবিবুল্লাহ নামের ওই যুবক পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদ থানা এলাকার মানকর কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র (STF detained several suspected to have connection with terror module)।
এসটিএফ সূত্রে খবর, ওই ছাত্র বাংলাদেশের আনসার উল ইসলাম নামের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। সামাজিক মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান চলত তাদের মধ্যে (STF detained several suspected to have connection with terror module)। সেই সূত্র ধরেই আটক করা হয় হবিবুল্লাহকে। এদিন হবিবুল্লাহর বাবা ও পরিবারের কয়েকজনকেও আটক করেছে এসটিএফ, এমনটাই খবর। হবিবুল্লাহর ভাই যে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে, তাকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর। ওই যুবকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথি ও সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। তাদের সকলকে কাঁকসা থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিন আবার বর্ধমানের নবাবহাট এলাকা থেকেও কয়েকজনকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করে এসটিএফ। তাদেরও কাঁকসা থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জানা গিয়েছে, এরা বাংলাদেশের ওই জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতে যাচ্ছিল (STF detained several suspected to have connection with terror module)। এদের মধ্যে একজন সক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এদিন এসটিএফের ২০ জনের একটি দল অভিযান চালায় দুই জেলায়। আটক সকলকেই কাঁকসা থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিন হবিবুল্লাহকে আটক করার পর এসটিএফ স্থানীয় তৃণমূল নেতা পল্লব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকেছিল থানায়। তিনি থানা থেকে বেরিয়ে বলেন, “জঙ্গি সন্দেহে একজনকে ধরেছে এসটিএফ (STF detained several suspected to have connection with terror module)। এলাকায় কোনও সমস্যা যাতে না হয় তার জন্য পুলিশ ডেকেছিল। ছেলেটাকে চিনি কিনা জানতে চেয়েছিল আমার কাছে। তবে ছেলেটাকে চিনি না। ওর বাবাকে চিনি। বাংলার প্রশাসন যথেষ্ট সক্রিয় ও দায়িত্বশীল। ঘটনা যদি কিছু ঘটেও থাকে তা দুর্ভাগ্যজনক”।





