দীর্ঘ ৫৫ দিন পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে সন্দেশখালির বেয়তাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। তাঁর গ্রেফতারির পর এদিন সন্দেশখালি যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ, বৃহস্পতিবার বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে জেলিয়াখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের হালদারপাড়ায় যান শুভেন্দু। আর সেখানে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেন যে তৃণমূলের ব্রিগেডের দিন অর্থাৎ ১০ মার্চ সন্দেশখালিতে এক মেগা ইভেন্ট করবে গেরুয়া শিবির।
আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই সন্দেশখালি যান শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁকে রামপুরের কাছে আটকায় পুলিশ। তাঁকে নির্দিষ্ট থানায় মুচলেকা দেখাতে বলা হয়। প্রথমে তা দেখাতে রাজি হন নি শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে তাঁকে বলা হয়, তিনি সন্দেশখালি ঢুকতে পারবেন না।
এরপর আদালতের নির্দেশ মতোই থানায় মুচলেকা দেখিয়ে হালদারপাড়ায় যান শুভেন্দু। এদিন তাঁকে স্বাগত জানান স্থানীয়রা। গ্রামে গ্রামে ঘোরেন শুভেন্দু ও শঙ্কর। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শাহজাহানের গ্রেফতারি নিয়ে কথা বলেন তিনি। এও বলেন, শুধুমাত্র শাহজাহান নয়, তাঁর আরও সঙ্গী জিয়ারুল মোল্লা, শেখ সিরাজউদ্দিনকেও গ্রেফতার করতে হবে।
এখানেই শেষ নয়, এদিন জেলিয়াখালিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন যে সন্দেশখালিতে মেগা ইভেন্ট হবে। তিনি জানান, আগামী ১০ মার্চ অর্থাৎ তৃণমূলের ব্রিগেডের দিন সন্দেশখালিতে বিরাট সভা করবে বিজেপি। ১০ মার্চ কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদ জানিয়ে ব্রিগেডে রয়েছে তৃণমূলের ‘জনগর্জন সভা’। এরই পাল্টা সন্দেশখালিতে এবার সভা করবে গেরুয়া শিবির।
এদিন এই সভার কথা ঘোষণা করে শুভেন্দু বলেন, “জেলিয়াখালির মানুষ অপেক্ষায় ছিলেন। কবে মোদীজীর সৈনিকরা আসবেন, সেটার অপেক্ষায় ছিলেন এখানকার মানুষ। অনেক লড়াই করতে হয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চ ঘুরতে হয়েছে। হেড কাউন্ট করা হয়েছে। আরে যে নৌকা চালাবেন, তাঁকেই উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। গোটা দ্বীপ আমার সঙ্গে, গোটা গ্রাম আমার সঙ্গে। দেখুন ১০ হাজার লোক বেরিয়ে পড়েছে। ১০ তারিখে বড় সভা হচ্ছে। এই এলাকায় হচ্ছে। আমি থাকব”।





