বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা অবশ্য জানা নেই। তবে মাঝরাতে এক পড়শি বৌদির ডাকে সাড়া দিয়ে সেখানে যাওয়ার পর আর ফেরেনি সে, এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। পড়শি ওই বৌদির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল ওই যুবক, এমনটাই তাঁর পরিবার সূত্রে খবর।
কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, বুধবার নৈহাটি দোগাছিয়া এলাকায়। সেখানে এদিন সকালে এক বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হল যুবকের দেহ। মৃত ওই যুবকের নাম সুব্রত হালদার। বয়স ২৫ বছর। পরিবার সূত্রে খবর, প্রতিবেশী এক বৌদির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল ওই যুবক। এর জেরেই এমন পরিস্থিতি।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
মৃতের বোন জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার রাতে নাকি ওই পড়শি গৃহবধূ ওই যুবককে মোমো খাবার জন্য ডাকে। এরপরই আর সেই যুবক বাড়ি ফেরে নি। এরপর গতকাল, বুধবার সকালে তার দেহ উদ্ধার হয় বাঁশবাগান থেকে। যুবকের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত মহিলা চিঙ্কি ও তাঁর পরিবার সুব্রতর থেকে টাকা ধার নেয়। পরিবারের দাবী, ওই মহিলা, তাঁর বোন ও তাঁর স্বামী মিলেই তাদের পরিবারের ছেলেকে খু’ন করেছে।
বাড়ির পাশের বাঁশবাগান সংলগ্ন পুকুরের পাশ থেকে উদ্ধার হয় যুবকের মৃতদেহ। স্থানীয়রাই তা দেখতে পেয়ে নৈহাটি থানার পুলিশকে খবর দেন।। পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তে পাঠানো হয় দেহটি। কী কারণে যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে আসল সত্যি সামনে আসবে বলে জানা গিয়েছে।
মৃতের দিদি অঞ্জনা দাস জানান, “কালকে রাত্রিবেলা ভাইকে ডেকেছিল। মোমো নিয়ে গিয়েছিল। তখনই খুন করেছে ওরা ওকে। আমি চাই ওই মহিলার ফাঁসি হোক। ওর তো দেওরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। আমি নিজে দেখেছি রাস্তায় বুকের কাছে হাত দিয়ে ঘুরত। গলা জড়িয়ে ধরে। এইভাবে দেওর বৌদি যায়? ওরাই ভাইকে মেরেছে”।





