এরকমই যে কিছু একটা হবে, তা প্রত্যাশাই ছিল। কিন্তু আক্রমণ যে এতটা দৃঢ় হবে, তা হয়ত অনেকেই ভাবতে পারেন নি। এদিনের মেদিনীপুর সভায় সরকারীভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভায় তৃণমূলকে একের পর এক তীর বিঁধলেন শুভেন্দু।

তাঁর কথায়, তিনি বিজেপি থেকে যা করবেন, তা সাধারণ কর্মী হিসেবেই করবেন। তিনি সিঁড়ি দিয়ে উঠে এসেছে, দরকার হলে দেওয়াল লিখনও করবেন তিনি, এও জানান শুভেন্দু। এরপর তিনি বলেন, গতকাল তাঁকে তৃণমূলের একজন কর্মী একটি ভিডিও পাঠান, যেখানে তিনি একসময় বলেছিলেন যে, ‘বিজেপি হটাও’। সেই প্রসঙ্গ টেনেই শুভেন্দু আজ বলেন যে, “আমি যখন যেখানে থাকি, সেখানেই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করি”।
এরপরই সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “দিনকয়েক আগে এই মাঠে দাঁড়িয়ে তৃণমূলনেত্রী বলে গিয়েছেন যে কাঁথিতে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। অধিকারীদের মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন। এবারেও তিনি দ্বিতীয়ই হবেন। প্রথম হবে ভারতীয় জনতা পার্টি”।
এদিন সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভুয়ো প্রশংসা করে শুভেন্দু বলেন, যখন তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন তৃণমূলের কেউ তাঁর খবর নেয়নি। কিন্তু খবর নিয়েছেন অমিত শাহ। তাও একবার নয়, দু’বার। পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। বলেন, “তোলাবাজ ভাইপো হটাও”।

পশ্চিমবঙ্গের কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন যে এখন রাজ্যের অবস্থা খুবই খারাপ। টেট দুর্নীতি হচ্ছে, চারিদিকে বেকারত্ব বেড়েছে। কলকাতা ও দিল্লি সরকার যাতে এক থাকে, একথাও নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট করেন তিনি। নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই বাংলায় উন্নয়ন আসবে, এমনটাই আশা রাখছেন বিজেপির নয়া নেতা।





