আজ, শনিবার একদিকে যেমন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পাড়ায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হাইভোল্টেজ সভা রয়েছে। তেমনই আবার ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbor) অর্থাৎ অভিষেকের গড়ে সভা রয়েছে শুভেন্দুর। কিন্তু সভার আগেই তা বানচাল করে দেওয়ার অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা। ভিডিও টুইট করে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তিনি। শাসক দলের তরফে যদিও এও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
এদিন বেলা ১টা নাগাদ ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাউস মাঠে সভা করার কথা শুভেন্দু অধিকারীর। এই সভা নিয়ে প্রথমে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়। তবে পরে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে সভার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু গতকাল, শুক্রবার রাতে টুইটে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, মঞ্চ বাঁধতে ডেকরেটরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আচমকাই রাতে খুলে নেওয়া হয় মঞ্চের বাঁশ। চেয়ারও সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে বিরোধী দলনেতা। সভা বানচাল করার চেষ্টা করেছে তৃণমূলই, এমনটাই দাবী করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। টুইটে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তিনি।
https://twitter.com/SuvenduWB/status/1598739920809787392
শুভেন্দুর এই অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এই বিষয়ে বলেন, “অপদার্থদের কুনাট্য। ডেকরেটরের যদি নিজেদের সমস্যা থাকে, তারা যদি কাজ না করে, তৃণমূল কী করবে? শুভেন্দুরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে তৃণমূলের উপর দোষ দিচ্ছে। নিজেরা কাজ করাতে পারবে না, আর টুইটে দোষারোপ অন্যকে। এসব কুনাট্য চলবে না”।
অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনও এই একই কথাই বলেন। শুভেন্দু অধিকারীকে পাল্টা আক্রমণ করেন তিনি।
শুধু তাই-ই নয়, তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্যও এই ঘটনায় শুভেন্দুকে তোপ দেগেছেন। আবার ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে এই বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
এদিকে, শনিবার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ডায়মন্ড হারবারে শুরু হয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। তবে নির্ধারিত সময়মত দুপুর ১টা থেকেই শুভেন্দুর সভা শুরু হবে কী না, তা এখনও জানা যায়নি।





