মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার অভিযোগ করে এসেছেন যে কেন্দ্র সরকারের (central government) তরফে বঞ্চনা করা হচ্ছে রাজ্যকে। সেই প্রতিবাদে ধর্নায় বসার ডাক দিয়েছেন তিনি। এবার সেই কর্মসূচির বিরোধিতা করে ধর্মীয় ভাবাবেগকে (religious sentiment) টেনে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বললেন যে রামনবমীতে রাজ্যে কোনও ছুটি দেওয়া হয় না।
মমতার ধর্নার বিরোধিতা করে শুভেন্দু বলেন, “৩০ মার্চ রামনবমী। বাংলায় রামনবমীতে ছুটি দেওয়া হয় না। ওই দিনই ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। এটা সংকীর্ণ রাজনীতি”। তিনি আরও দাবী করেন, ইডি, সিবিআই, বিচারব্যবস্থার উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্যই ধর্নায় বসছেন মমতা।
কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমাগত বঞ্চনা করছে বাংলাকে। বকেয়া টাকা মেটাচ্ছে না দিল্লি। এর প্রতিবাদে আগামী ২৯ ও ৩০ মার্চ বি আর আম্বেদকরের মূর্তির নিচে ধর্নায় বসার ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩০শে মার্চ তাঁকে ধর্নায় যোগ দেবেন তৃণমূল সাংসদরাও। এবার এই নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ শানাতে বাদ দিলেন না শুভেন্দু অধিকারী, সৌমিত্র খাঁ, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। তাদের অভিযোগ, সংকীর্ণ রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এক সাংবাদিক থেকে শুভেন্দু বলেন, “৩০ মার্চ দেশজুড়ে রামনবমী পালিত হয়। এটা সনাতন ধর্মের রীতি। ওই দিন বাংলায় সরকারি ছুটি দেওয়া হয় না”। এরপরই খোঁচা দিয়ে বলেন, “২৯ মার্চ দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ। ওইদিনই ধরনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিচারব্যবস্থা, ইডি, সিবিআইয়ের উপর চাপ তৈরি করতেই এই ধর্না”।
বিজেপির আরও দাবী, বাম জমানার তুলনায় তৃণমূলের আমলে রাজ্যে বেকার শিক্ষকের সংখ্যা কয়েল গুণ বেড়েছে। ঋণের পরিমাণও অনেক গুণ বেড়েছে মমতার শাসনকালে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা ও রাজ্যের উপর একাধিক ক্ষোভ বর্ষণ করে বিজেপি।





