গতকাল, মঙ্গলবার বড়সড় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে এগরার বিস্তীর্ণ এলাকা। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন। আহতের সংখ্যা আরও বেশি। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। এনআইএ তদন্তের দাবী তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বিস্ফোরণের পর আজ, মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান শুভেন্দু অধিকারী। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান। আর্থিক সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ বাগের ভাই বাদে গ্রামের সবাইকে আর্থিক সাহায্য করার আশ্বাস দেন তিনি।
এগরার এই বিস্ফোরণের জেরে গোটা রাজ্য এখন উত্তাল। নির্ধারিত সময় মেনেই আজ, বুধবার এগরায় পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। কারখানার ২০০ মিটার দূরে জনবসতিপূর্ণ এলাকাতেও যান। সেখানকার একটি বাড়িতে ঢোকেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্থানীয়রা। সেখান থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা। পুলিশমন্ত্রী পদত্যাগের দাবী জানান তিনি।
এদিন শুভেন্দু বলেন, “আমি এনআইএ তদন্তের দাবীতে আদালতে গিয়েছি। এর শেষ দেখব। পুলিশের চোখের সামনে দিনের পর দিন এই কাজ চলেছে। পুলিশ কিছু করেনি। পুলিশ তৃণমূলের দলদাস”।
সরকারের দেওয়া আর্থিক সাহায্যের বিরোধীতা করে শুভেন্দু বলেন, “ওই টাকা বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের। তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে এই টাকা দেওয়া হলে আপনারা কেউ নেবে না”। এর পাশাপাশি খাদিকুলবাসীর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমি থাকতে আপনারা কেউ অনাথ হবেন না। আগামী সোমবার বিজেপির তরফে গ্রামবাসীদের আর্থিক সাহায্য করা হবে”।
শুভেন্দুর মন্তব্যের পাল্টা দেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী তাঁর তরফে যা করার তাই করেছে। এনআইএ তদন্তে সমস্যা নেই বলেও জানিয়েছেন। উনি তো অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বিরোধী দলনেতা দুদিন আগে বিজেপিতে গিয়ে বড় নেতা হয়ে গিয়েছেন। আসলে জনবিচ্ছিন্ন, তাই এসব করে প্রচারে আসতে চাইছেন”।





