নির্বাচনের আগের টাকা দিয়ে ভোট কিনে নেওয়া ট্রেন্ড চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। এবার সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্যের ছটি কেন্দ্রকে ‘আর্থিক স্পর্শকাতর’ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পর্শকাতর তালিকায় রয়েছে দার্জিলিং, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, আসানসোল, বনগাঁ এবং কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের নাম।
গত শনিবার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়েছে। এর পর থেকে রাজ্যজুড়ে কড়া নজর রেখেছে কমিশন। জোরকদমে চলছে তল্লাশি অভিযান। সেখানেই উদ্ধার হয়েছে বিপুল নগদ টাকা ও মদের বোতল। যার মূল্য ৮১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ভোট শুরুর আগে এত নগদ ও মদ উদ্ধার হওয়ায় চোখ কপালে নির্বাচনী আধিকারিকদের। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রাজ্যের আবগারি দপ্তর অভিযান চালিয়ে ২১ কোটি টাকার মদ উদ্ধার করেছে।
নির্বাচন ঘোষণার চারদিনের মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হল বিপুল অঙ্কের টাকা ও মদ। নগদ, মদ ও মাদক মিলিয়ে ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী উদ্ধার করল নির্বাচন কমিশন। বুধবার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানানো হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়েছে, “গত ১ মার্চ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে বেআইনি মদ এবং অর্থ। শুধু বাংলা নয়, উত্তর এবং দক্ষিণ ভারত থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণে মাদক এবং বেআইনি নগদ টাকা।”
মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, “এখনও পর্যন্ত বাংলায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭২৬ টি এমসিসি ভঙ্গের কেস তথা অভিযোগ জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই মাদক রুখতে জেলা শাসককে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার।”
উল্লেখ্য, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় লোকসভা ভোট। আর এই তিন কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। তা নিয়ে জেলা শাসকের কাছে জবাব তলব করেছে কমিশন। তবে লোকসভা হোক বা বিধানসভা নির্বাচন বাংলা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা উদ্ধারের ঘটনা রয়েছে। এবার ফের লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই উদ্ধার হল কোটি কোটি টাকার বেআইনি সামগ্রী।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!