রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর। হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে গাফিলতির! আর ঘটনায় ক্ষিপ্ত পরিবার হাসপাতাল চত্বরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি সামাল দেয়।
সূত্রের খবর, অশোকনগরের বাসিন্দা বছর ৭২-এর ননীগোপাল দাস গতকাল রবিবার বাথরুমে পড়ে গিয়ে জখম হন। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অশোকনগর সেবাসদনে। কিন্তু তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকেরা ওই বৃদ্ধকে আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেয়। আর সেই মতো পরিবারের লোকেরা একটি অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে। নির্দিষ্ট সময়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি হাসপাতালে পৌঁছেও যায়।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, এরপরই পরিবার ও অ্যাম্বুল্যান্স চালকের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় হাসপাতালের এক কর্মী ও ওষুধ ব্যবসায়ী। তারাই জখম বৃদ্ধকে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে দেয় না বলে অভিযোগ। গালিগালাজ করতে শুরু করে চালককে। এরপর অন্য রোগীকে ওই অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই হাসপাতালেই পড়ে থাকেন ননীগোপালবাবু। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবারের সদস্যরা।
আর এরপরই স্বাভাবিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালে পৌঁছয় অশোকনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পৌঁছন অশোকনগর পুরসভার প্রশাসকও। দীর্ঘক্ষণ ধরে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ।





