চোরের কীর্তি! চুরি করতে এসে রান্না করা গোটা একবাটি মাংস সাবাড় করে পালাল চোর, অদ্ভুত চুরি নিয়ে চর্চা কোচবিহারে

রাজ্যে নানান জায়গায় নানান চুরির ঘটনা আকছার লেগেই রয়েছে। তবে কোচবিহারের মেঘলিগঞ্জে এমন এক চুরির ঘটনার কথা জানা গেল, যা শুনে বেশ হতবাক স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পুলিশও। চুরি করতে এসে বাড়িতে রাখা রান্না করা মাংস খেয়ে পালাল চোর। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার ভোররাতে কোচবিহারের মেঘলিগঞ্জ থানার ভোটবাড়ি এলাকায়। এই চুরির কথা শুনে স্থানীয়রা অবাক হবেন নাকি হাসবেন, তা নিয়ে চলছে চর্চা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি থেকে জল তোলার মোটর চুরি গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাবুনাথ রায়ের বাড়িতেও চুরি হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নি তিনি। ওই গৃহকর্তার পরিবার সূত্রে খবর, বাড়ি থেকে জলের মোটর, রান্না ঘরে থাকা কয়েকটি বাসনপত্র উধাও হয়ে গিয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন তারা।

এরপরই এক অবাক করা কাণ্ড বুঝতে পারে বাবুনাথ রায়ের পরিবারের সদস্যরা। তাদের বাড়িতেই রাখা ছিল রান্না করা মাংস। সেই মাংস পুরোটা সাবাড় করে ভেগেছে চোর। এই নিয়ে প্রথমে কী প্রতিক্রিয়া দেবেন তারা, তা ভেবেই উঠতে পারছিলেন না তারা।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে গৃহকর্তা বাবুনাথ রায় বলেন, “এই এলাকায় চুরির ঘটনা মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। তবে চুরি করতে এসে চোর মাংস খেয়ে পালিয়েছে। আমি ছোটোবেলা থেকে এখানেই বড় হয়েছি, এমন ঘটনা আগেও কখনও শোনা যায়নি। আমার বাড়ি থেকে আরও বেশি কিছু জিনিসি চুরিও হয়েছে। পুলিশের এই এলাকায় টহলদারি বাড়ানো উচিত”।

এই প্রসঙ্গে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমাদের এলাকায় চুরি ঘটনা আগেও ঘটেছে। অনেকের বাড়ি থেকেই জলের পাম্প ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি হয়ে গিয়েছে। তবে চুরি করে এসে চোর মাংস খেয়েছে, এটা প্রথম শুনলাম। সচরাচর এমন ঘটনা শোনা যায় না”।

বলে রাখি, কিছু বছর আগে শিলিগুড়ির জ্যোতিনগর এলাকা থেকেও এমনই এক চুরির অভিযোগ শোনা গিয়েছিল। মাঝরাতে চুরি করতে বাড়িতে ঢোকে চোররা। আলমারি থেকে চুরিও করে। বাড়িতে রাখা ছিল ম’দের বোতল। চুরির পর ম’দ খেয়ে বোতল নিয়েই হাওয়া হয়ে গিয়েছিল চোর।

RELATED Articles