সপ্তাহের শুরুতেই বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল হাওড়ার সাঁকরাইলে। নিহতের নাম শেখর মালিক (৪০)। তিনি বাসুদেবপুরের মন্ডল সভাপতি বলে খবর দলীয় সূত্রে। এই ঘটনায় নিহত কর্মীকে খুনের অভিযোগে শাসকদলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে পদ্ম শিবির। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগসূত্র নেই বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, রবিবার রাতে এলাকায় শিবদুর্গা পুজো উপলক্ষ্যে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অনেক রাত পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন শেখর। এরপর আজ সকাল হতেই তাঁর নিথর দেহটি চোখে পড়ে স্থানীয়দের। তাদের অনুমান, ভারী কিছু দিয়ে শেখরের মাথায় আঘাত করায় তাঁর মাথা থেতলে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।
এই ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতা অলোক দুবে বলেন, এলাকায় সিএএ ও এনআরসির প্রচারে সদর্থক ভূমিকা ছিল শেখরের। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রচার চালানোর জন্য তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয় শেখরকে। সেই আক্রোশ থেকেই গতকাল রাতে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দক্ষিণ হাওড়ার কার্যকরী সভাপতি তপন পাল বলেন, পুজোর রাতে ওই এলাকায় মদের আসর বসেছিল। সেখানে বচসার জেরে খুন হতে হয়েছ শেখরকে। যদিও ঘটনাটি আসলে কী তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।BJP





