শাসক দলের (TMC) নেতাদের কর্মকাণ্ডে একুশের ভোটযুদ্ধে আগেই বিপাকে ঘাসফুল শিবির। একে আর্থিক দুর্নীতি (Financial corruption) অন্যদিকে দেদার অমানবিক কার্যকলাপ। কখনও শ্লীলতাহানি বা কখনও অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি বারবার নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতাদের। আর এবার এক মহিলার গর্ভস্থ ভ্রুণ(The fetus in the womb) নষ্টের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান এক ব্লকের রায়ান ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার।
জানা গেছে এক পরিবারের পারিবারিক বিবাদে নাক গলিয়ে ওই তৃণমূল নেতা এক মহিলা ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে মারধর করেন। যদিও শাসকদলের অভিযুক্ত ওই নেতা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আঞ্চলিক সূত্রে জানাচ্ছে, প্রথমে রবিবার রাতে পারিবারিক বিবাদ শুরু হয় পঞ্চায়েত সদস্য রূপা বিবির (Rupa Bibi) আত্মীয়দের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। সেই সময়ই তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শেখ জামালের ( Sekh Jamal) নাম জড়িয়ে পড়ে। যদিও সেই সময়ের মতো ঝামেলা মিটে যায়। গতকাল অর্থাৎ সোমবার আবার ঝগড়া বাধে। পারিবারিক বিবাদে কেনও তৃণমূল নেতা শেখ জামালের নাম করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন শেখ জামালের স্ত্রী। সেই সময় রাকিয়া বিবি(Rakia Bibi) ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে সালু বিবির (Salu Bibi) ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ জামাল ওই সময় সালু বিবির পেটে লাথি মারেন বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাকিয়া বিবি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে সালু বিবির অভিযোগ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তাঁদের ওপর হামলা করেছে। পেটে লাথি মারায় গর্ভস্থ ভ্রূণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শেখ জামাল। তাঁর দাবি ঘটনায় সময় তিনি এলাকাতেই ছিলেন না।






