বিজেপি-তৃণমূল সংঘাত! মাথাভাঙায় বিজেপির মিছিলের উপর হামলা তৃণমূলের, লক্ষ্য করে চলল গুলি

আগামী নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আরও প্রকট হচ্ছে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত। ফের একবার তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহার। গতকাল বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বিক্ষোভ। অভিযোগ, এদিনের কর্মসূচী মিছিলে হামলা চালায় তৃণমূল। এদিন রাতে মাথাভাঙ্গা শহরের বিজেপি নেতা অভিজিৎ বর্মণকে লক্ষ্য করে চালানো হয় গুলি। যদিও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এদিন মিছিলে তৃণমূলের ছোঁড়া বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী।

গতকালের বিজেপির কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই থানার সামনে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। বেলা গড়াতেই থানার দিকে এগোতে থাকে বিজেপির মিছিল। অভিযোগ, এই সময়ই ওই মিছিলে হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা। মিছিলে ছোঁড়া হয় বোমা। সৃষ্টি হয় চরম পরিস্থিতির।

এরপরই তৃণমূলের উপর গর্জে উঠে বিজেপি। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তারা। ভাঙচুর ক্রাহ্য মোটরসাইকেল, গাড়ি, ও টোটো। আইএনটিটিইউসি-এর একটি কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সরিয়ে দেওয়া হয় দু’পক্ষের লোকজনকেই।

এই ঘটনাতে বিজেপিকে দুষেছেন জেলার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। তাঁর কোথায়, “তুফানগঞ্জের তৃণমূল কর্মী খালেদ মিয়া খুনের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে বিজেপি গুলি চালানোর নাটক করছে। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করে তুলছে তারা”।

তবে এই আক্রমনের বিষয়ে বিজেপির রাজ্যের সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “গত কিছুদিন ধরেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হিংসা ছড়াচ্ছে তৃণমূল। এই কাজ করছে যাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চালু হয় আর ওরা বলতে পারেন আমাদের নির্বাচিত সরকার ভেঙে দিয়েছে। আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ হলে আমরা প্রতিবাদ করবই। এভাবে আমাদের আটকানো যাবে না”।

RELATED Articles