চলছে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। এরইমধ্যে হিসেব-নিকেশ শুরু হয়েছে বাংলার রাজনীতিতে ধূমকেতুর মতো উঠে আসা বর্তমান প্রধান বিরোধী দল বিজেপি’র।
হিসেব বলছে, মাত্র ৩ বছরের মধ্যে বিজেপি-র ভোট বেড়েছে ৪ গুণেরও বেশি। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে একটিতে না জিতলেও মাত্র ৩ বছরের মধ্যেই ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের হিসেবে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে ২২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এই পরিসংখ্যান নিয়েই শনিবার পঞ্চম দফায় রাজ্যের ৬ জেলার ৪৫টি আসনে ভোট।
আগামীকাল অর্থাৎ পঞ্চম দফায় কালিম্পঙের ১, দার্জিলিঙের ৫ এবং জলপাইগুড়ির ৭ বিধানসভা আসনের সবগুলিতেই ভোট হবে। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩টির মধ্যে ১৬, নদিয়া জেলার ১৭টির মধ্যে ৮ এবং পূর্ব বর্ধমানের ১৬টির মধ্যে ৮ আসন রয়েছে এই তালিকায় l
২০১৬-য় ৬ জেলার এই ৪৫টি আসনে তৃণমূল ৪৪.৬, বিজেপি ৯.৮৭ এবং বাম-কংগ্রেস জোট ৩৭.২৫ (২৮.০৭+৯.১৮) শতাংশ ভোট পেয়েছিল। জিজেএম পেয়েছিল ২.৯২ শতাংশ। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের ভোট কমে হয়েছে ৪১.৩৬ শতাংশ। বিজেপি-র বেড়ে ৪৪.৭৫ শতাংশ। আলাদা লড়ে বামেরা ৭.৫৯ এবং কংগ্রেস ২.৯৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
রাজনৈতিক কৌশলীদের মতে, পঞ্চম দফায় পয়লা নম্বর জায়গা ধরে রাখাই শনিবার পদ্ম শিবিরের চ্যালেঞ্জ। যদিও কেন্দ্রওয়াড়ি ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, মূলত উত্তরবঙ্গের ৩ জেলা এবং নদিয়া জেলার আসনগুলিতে ৩ বছরের ব্যবধানে তৃণমূল এবং জোটের তুলনায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন- বিজেপি নেতাকে ব্যাপক মারধর, পরে মুখে প্রস্রাব, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনগুলির মধ্যে তৃণমূল জিতেছিল ৩২টিতে। সিপিএম এবং কংগ্রেস জিতেছিল ৫টি করে আসনে। পাহাড়ের ৩টি কেন্দ্রে জিতেছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (জিজেএম)। বিজেপি-র ঝুলি ছিল শূন্য। ৩ বছর পরে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের বিধানসভা ভিত্তিক ফলের হিসেবে তৃণমূল ওই ৪৫-এর মধ্যে ২৩টিতে এগিয়ে গিয়েছে। ২২টি আসন নিয়ে তাদের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলেছে বিজেপি। আলাদা ভাবে লড়ে বাম-কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য। জিজেএম লোকসভা ভোটে না লড়ায় তাদের ‘জনসমর্থন’ এখনও অজানা।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!