সাগরদিঘি থেকে শিক্ষা! সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা, শওকত মোল্লাকে তড়িঘড়ি ভাঙড়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব দিল তৃণমূল

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে (Sagardighi by election) হার নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছে তৃণমূল (TMC)। তার উপর নানান জায়গা থেকে তো বারবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা উঠে আসেই। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Election)। সেই কারণে এবার সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করতে উদ্যত হল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

ভাঙড়ে আরাবুল-কাইজার দ্বন্দ্ব মেটাতে আজ, শনিবার ভবানীপুড়ে বৈঠক করলেন তৃণমূল শীর্ষ নেতা সুব্রত বক্সি। এদিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা, আরাবুল ইসলাম ও কাইজার আহমেদরা। প্রায় দু’ঘণ্টা বৈঠকের শেষে স্থির হয় যে ভাঙড়ের সংগঠনের দায়িত্ব এবার থেকে সামলাবেন শওকত মোল্লা। তাঁর সঙ্গে সকলকে যোগাযোগ করতে হবে বলে সাফ জানান সুব্রত বক্সি।

ভাঙড় বেশ স্পর্শকাতর এলাকা। আর সেখান থেকেই বারবার উঠে আসে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ। কোথাও আরাবুলের ঘনিষ্ঠদের প্রতাপ বেশি তো কোথাও আবার কাইজারের ঘনিষ্ঠদের। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই ভাঙড় কেন্দ্রটি হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন আইএসএফের প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি।

তবে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন রয়েছে।তার আগে যদি এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শান্ত না করা যায়, তাহলে সেই প্রভাব যে ভোটে পড়বে, তা বেশ ভালোভাবেই জানে তৃণমূল। সেই কারণে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠেকাতে আজ ভবানীপুরে বসে বৈঠক। এদিনের বৈঠকে সুব্রত বক্সি স্পষ্ট জানান যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করা হবে না। সকলে যাতে শওকত মোল্লার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে চলেন, তেমন নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আসলে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে দলের হারে নেতাদের কপালে চিন্তা বড়সড় ভাঁজ পড়েছে। কেন শোচনীয় ফলাফল, তা জানতে ইতিমধ্যেই অন্তর্তদন্ত শুরু হয়েছে। এবার সামনে পঞ্চায়েত ভোট। আর কোনওভাবে কোনও প্রভাব পড়তে দেওয়া যাবে না।  সেই কারণেই তড়িঘড়ি ভাঙড় নিয়ে এই সমাধান সূত্র বের করলেন সুব্রত বক্সি।

আরও অন্যান্য খবর