আবাস যোজনায় দুর্নীতি নিয়ে ফের উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। এই নিয়ে ফের সামনে এল শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। অভিযোগ, বর্তমান অঞ্চল সভাপতির অনুগামী না হওয়ার জেরে আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে নাম। সেই অভিযোগেই পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন ঘাসফুল শিবিরের একাংশ। এই ঘটনার জেরে বেশ অস্বস্তিতে শাসক দল।
আবাস যোজনায় দুর্নীতি নিয়ে গোটা রাজ্যে শোরগোল পড়েছে। রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকেই নানান অভিযোগ উঠে আসছে। এবার এই আবাস যোজনা নিয়েই গোষ্ঠী কোন্দল অন্য মাত্রায় পৌঁছল কেশপুরে। কেশপুরের ১৪ নম্বর অঞ্চলের ঝেঁতলা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে শাসকদলেরই একাংশ। বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা।
যোগ্য উপভোক্তা হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান অঞ্চল তৃণমূল সভাপতির অনুগামী না হওয়ার জেরে আবাস যোজনার চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবী তাদের। বিক্ষোভকারীদের দাবী, তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হচ্ছে। এই তালিকা নিয়ে তারা উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবীও জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক কালে কেশপুরে অঞ্চল সভাপতি বদলকে কেন্দ্র করে শাসকদলের মধ্যে একাধিক দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। কেশপুরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে কিছুদিন আগেও অঞ্চল সভাপতি বদল হয়েছে। করুনা সিন্ধু দণ্ডপাঠ পদ হারিয়েছেন।
আর নতুন অঞ্চল সভাপতির পদে বসানো হয়েছে ভাস্কর চৌধুরী। সেই নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে কোন্দল আগের থেকেই ছিল। এবার আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে অঞ্চলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এবার সরব হলেন আগের অঞ্চল সভাপতির অনুগামীরা।
যদিও বর্তমান অঞ্চল সভাপতি ভাস্কর চৌধুরী এই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি বলেন, “আবাস যোজনায় কে ঘর পাবে আর পাবে না, সেটা সম্পূর্ণ সরকারি ব্যাপার। এ বিষয়ে আমাদের কোনও কিছুই বলারও নেই করারও নেই। তবে দলের কোন্দল বলেও কিছু এখানে নেই। এ ব্যাপারে যা বলার ব্লক সভাপতিই বলবেন”।
অন্যদিকে, কেশপুরের ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজাও দাবী করেছেন যে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কিন্তু তবুও কোনওমতেই শাসক দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব কম হচ্ছে না।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!