বৈবাহিক সম্পর্ক গোপন করে তৃণমূলের মহিলা কর্মীর (TMC woman worker) সঙ্গে সম্পর্ক। একাধিকবার ধ’র্ষ’ণ করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশে দ্বারস্থ হয়ে এমনই এক তৃণমূল নেতা (TMC Leader) তথা প্রাক্তন ফুটবলারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করলেন এক মহিলা তৃণমূল কর্মী। গতকাল, শুক্রবার আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজারহাট থানায় (Rajarhat Police Station) লিখিত অভিযোগ জানান ওই মহিলা। তাঁর দাবী, তিনি প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। আর এরপরই তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ, ২০২১ সালে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার পরিচয় হয় ওই মহিলা তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে। এরপর থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্ক এগোতে থাকে তাদের। পরবর্তী সময়ে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বেশ বাড়ে বলে দাবী ওই মহিলা কর্মীর।
অভিযোগকারিণীর দাবী, রাজারহাটের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে নেশার দ্রব্য খাইয়ে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে ধ’র্ষ’ণ করেন তৃণমূল নেতা। একবার নয়, এমন ঘটনা বেশ কয়েকবার ঘটেছে বলেও দাবী ওই মহিলা। তিনি জানান, এরপর তাঁকে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ওই এলাকার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত।
মহিলা কর্মীর দাবী, তিনি জানতেন না ওই তৃণমূল নেতা বিবাহিত। পরে সবটা জানতে পারেন তিনি। অভিযোগকারিণী জানান যে তিনি সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছেন থানায়।
এদিকে, নিজের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই তৃণমূল নেতা। তাঁর কথায়, বিধানসভা থেকে শুরু করে নানান নির্বাচনে তিনি কাজ করেন, এলাকার মানুষের পাশে থাকেন। আর সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অভিযুক্তের দাবী, তিনি ওই মহিলাকে অফিসে ঢুকতে দিতেন না। এরপরই এসব অভিযোগ করেছেন মহিলা। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা এও প্রশ্ন করেন যে এতদিন পর কেন ওই মহিলা অভিযোগ করলেন।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে এলাকার বিধায়ককে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “আইন আছে। আইন আইনের পথে চলবে। কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কিছু বলব না। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই”।





