সবে মিটেছে দুর্গাপুজো। এবার রাজ্যের নানান প্রান্তেই প্রস্তুতি চলছে কালীপুজোর। এই কালীপুজোর মেলায় যাতে চটুল নাচ বা জুয়া খেলার মতো ঘটনা না ঘটে, সেই কারণে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন যুবক। আর সেই কারণেই তৃণমূল নেতার রোষের মুখে পড়লেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। জানা গিয়েছে, মহেন্দ্রপুর কালী মন্দিরে কালীপুজো উপলক্ষ্যে প্রতি বছর মেলা বসে। গত কয়েক বছর ধরে সেই মেলায় চটুল গানে নাচ, মদ-জুয়ার আসর বসাচ্ছেন তৃণমূল ছাত্র নেতা অবিনাশ দাস, এমনটাই অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবী, এর জেরে পুজোর পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে।
এই ঘটনাটি আগে থেকেই এই বছর হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় জানিয়ে রাখেন স্থানীয়রা। গতকাল, বুধবার কালীপুজোর জন্য কালীমন্দিরেই বসে বৈঠক। সেখানেই মেলায় চটুল নাচ ও জুয়ার আসর বন্ধ করার পক্ষে রায় দেন স্থানীয়রা। সেই সময় সেখানে উপস্থিত হন তৃণমূল নেতা অবিনাশ দাস ও তার ভাই। এই চটুল নাচ ও জুয়ার আসর বন্ধ নিয়ে শুরু হয় স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের বচসা।
অভিযোগ, সেই সময়ই প্রিন্স সাহা নামের এক যুবককে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল নেতা অবিনাশ দাস ও তার দলবল। এমনকি, প্রতিবাদী যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলেও অভিযোগ। স্থানীয়রা বাধা দিলে পালায় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয়রাই আহত যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যায় হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ ‘মনুষ্যত্ব এখনও বেঁচে…’! নিজের পথখরচের টাকা থেকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের ২০৮ টাকা দিলেন ঢাকি, চোখে জল নিয়ে কী লিখলেন কিঞ্জল?
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা অবিনাশ দাস নার্সের শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিল। সম্প্রতি ছাড়া পেয়েছে সে। যুবককে এভাবে ঘটনায় হরিশ্চন্দ্র পুর থানায় অভিযোগ করা হলেও এখনও তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে দাবী স্থানীয়দের।





