ছ্যাঁকা লাগা বিদ্যুতের বিলের হাত থেকে রক্ষা পেতে চান? করুন এই ছোট্ট কাজগুলি, বিদ্যুতের বিলে মিলবে ব্যাপক ছাড়, হবে সাশ্রয়

দিন যত এগোচ্ছে, মূল্যবৃদ্ধিও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। চাল, ডাল, সবজির পাশাপাশি এখন বিদ্যুতের বিলও আতঙ্ক হয়ে দারিয়তেছে আমজনতার জন্য। মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল দিতে গিয়ে একপ্রকাশ কারেন্ট শকই খেতে হয় বটে। এবার এবার বিদ্যুতের বিল বাঁচানোর জন্য এক সহজ উপায় বাতলে দেওয়া হবে।

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেমন বিদ্যুৎ পরিষেবা বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে বিদ্যুতের খরচ। বিদ্যুতের বিল এখন কপালে ভাঁজ ফেলে আমজনতার। তবে এই চিন্তা থেকে বাঁচার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। ছোট্ট কয়েকটি কাজ করলেই বিদ্যুতের বিল একেবারে অর্ধেক হয়ে যাবে।

না, কোনও অবৈধ পদ্ধতিতে নয়, একেবারে বৈধ পদ্ধতিতেই বাঁচান বিদ্যুতের বিল। আতঙ্ক ধরানো বিদ্যুতের বিল থেকে বাঁচতে এখনই বদলে ফেলুন বাড়ির সব আলো। বাল্ব বা যে কোনও টিউবলাইটের জায়গায় ব্যবহার করুন এলইডি আলো। এতে একদিকে যেমন বিদ্যুতের সঞ্চয় হয়, তেমনই গরমের হাত থেকেও মেলে মুক্তি।  

এখন প্রায় অনেক ঘরেই ব্যবহার করা হয় এসি। আর এসি মানেই মাস গেলে হাজার হাজার টাকার বিল। তবে এবার সেই বিলের খরচ কমানো যেতে পারে সহজ পদ্ধতিতে। এসির তাপমাত্রা রাখুন ২৪-২৫ ডিগ্রির মধ্যে। এমন তাপমাত্রা রাখলে ঘরও ভালো ঠাণ্ডা থাকবে আর বিদ্যুতে কম টান পড়বে। বিলে হবে সাশ্রয়।

এছাড়াও অযথা কোনও কারণ ছাড়াই ফ্যান চালিয়ে রাখা বা আলো জ্বেলে রাখা বন্ধ করুন। কোনও প্রয়োজন না থাকলে টিভি, এসি, কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করে রাখুন। এমনটা করলেও বেশ অনেকটা বিদ্যুতের সাশ্রয় সম্ভব।

গরীব মানুষকে অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিলের হাত থেকে রক্ষা করতে ‘হাসির আলো’ প্রকল্প শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের জেরে যাদের বাড়িতে মাসে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, তারা বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা পেয়ে থাকেন। আবার ৫১ থেকে ১০০ ইউনিটে দেওয়া হয় আড়াই টাকা পর্যন্ত ছাড়। তবে রাজ্যের যে সমস্ত বাসিন্দা বিপিএল তালিকাভুক্ত, তারাই এই সুবিধা পেয়ে থাকেন।    

আরও অন্যান্য খবর