Kuntal Ghosh Requested for Speedy Trial in Primary Recruitment Scam Case: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যে বিতর্ক কম নয়। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতামন্ত্রীর। জেলে রয়েছেন খোদ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। এছাড়াও একাধিক তৃণমূল নেতারাও জেলবন্দি। এরই মধ্যে এই নিয়োগ দুর্নীতিতে নিজের শাস্তি চাইলেন এই মামলায় ধৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh Requested for Speedy Trial in Primary Recruitment Scam Case)।
গতকাল, মঙ্গলবার কুন্তল ঘোষকে তোলা হয়েছিল বিশেষ সিবিআই আদালতে। সেই মামলায় সিবিআই এদিন দাবী করে যে তারা চার্জ গঠন করার পরিস্থিতিতে রয়েছে এই মামলার। ফলে চার্জ গঠন করা হোক বলেই জানায় সিবিআই। এদিকে আবার কিছুদিন আগেই এই একই মামলাতে কলকাতা হাইকোর্টের নথিতে অন্য কিছুই দাবী করেছিল সিবিআই (Kuntal Ghosh Requested for Speedy Trial in Primary Recruitment Scam Case)।
কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই জানিয়েছিল যে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে এখনও তদন্ত শেষই হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে। তাহলে এদিন সিবিআই আদালতে চার্জ গঠন করার কথা কীভাবে জানাল সিবিআই, তা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। সেই প্রেক্ষিতেই এদিন বিচারক প্রশ্ন করেন, তদন্ত আর চার্জ গঠনের কাজ একসঙ্গে কীভাবে চলতে পারে!
গতকাল কুন্তল ঘোষকে আদালতে তোলা হলে বিচারকের উদ্দেশে তিনি জানান, “দুবছর ধরে জেলে আছি। আমরা স্পিডি ট্রায়াল চাই। হয় সাজা দিয়ে দিন, না হলে ছেড়ে দিন” (Kuntal Ghosh Requested for Speedy Trial in Primary Recruitment Scam Case)। আদৌ এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদৌ চার্জ গঠন হবে কী না, তা নিয়ে ধন্ধ রয়েই গিয়েছে।
উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ, শান্তনু ঘোষদের। দলের তরফে যদিও তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, চাকরির দর ঠিক করতেন তারাই। আর সেই নিয়ে দরাদরি করতে বৈঠকে বসে আলোচনা করতেন তারা। শহরের অভিজাত নানান কফিশপে চলত সেই বৈঠক। কীভাবে সেই দর ঠিক হত, কী কী আলোচনা চলত বৈঠকে, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Kuntal Ghosh Requested for Speedy Trial in Primary Recruitment Scam Case)।





