যদি করতে চান ১০০ দিনের কাজ, তাহলে করতে হবে সারেন্ডার! অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করলেই মিলবে কাজ করার সুযোগ। এই ঘটনার জেরেই এবার উত্তপ্ত ভাঙড়। এক তৃণমূল নেতার মন্তব্যে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা তথা ভোগালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মোদাসসের হোসেন সোমবার কাঠালিয়াতে দলীয় একটি পার্টি অফিস উদ্বোধনে এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, যারা খাম চিহ্নে ভোট দিয়ে জিতিয়ে এখনও তৃণমূলে এসে ‘সারেন্ডার’ করেনি, তারা ফুরফুরাতে গিয়ে কাজ করুক, ভোগালিতে তাদের কোনও কাজ নেই।’
এখানেই থামেননি ওই তৃণমূল নেতা তাঁর আরও বক্তব্য, ‘তৃণমূলে আত্মসমর্পণ করে একশো দিনের কাজ করুক অসুবিধা নেই, না হলে ভোট এলে আবার খাম নিয়ে ঘুরে বেড়াবে সে সব হবে না।’
আরও পড়ুন-রাজীবের পর প্রবীর! “মধুচক্রের নায়ক, গদ্দার প্রবীর ঘোষালকে দলে ফেরানো যাবে না!” পড়ল পোস্টার
এই খাম শব্দের অর্থ আব্বাস সিদ্দিকীর দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। বিধানসভা নির্বাচনে তাঁদের প্রতীক চিহ্ন ছিল খাম।
বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় আসনটি তৃণমূলের কাছে থেকে ছিনিয়ে নেয় জোট। বাম, কংগ্রেস শূন্য পেলেও সংযুক্ত মোর্চার তরফে রাজ্যের বিধানসভায় একমাত্র সদস্য হিসেবে পা রাখেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ছোট ভাই নওসাদ সিদ্দিকি। তবে অভিযোগ উঠেছেবিধানসভা নির্বাচনে জেতার পর তাঁকে আর ভাঙড়ে। দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুদিন আগে ভাঙড় থানায় তিনি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে আসলে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।
আরও পড়ুন- আগামী পাঁচ বছর তৃণমূলের সঙ্গেই থাকছে আইপ্যাক, তবে প্রশান্ত কিশোর কী থাকবেন? উঠছে প্রশ্ন
তৃণমূল নেতার এহেন নিদান শুনে বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী জানান, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে এই ধরনের মন্তব্য কখনই কাম্য নয়, সকলকেই কাজ দিতে হবে। আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দরবার করব।





