একের পর এক নানান মামলায় তৃণমূল নেতা তথা নন্দীগ্রামের দাপুটে পোলিং এজেন্ট শেখ সুফিয়ানের নাম উঠে আসছে। সম্প্রতিই খুনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিন পেয়েছন তিনি। আর এরই মধ্যে ফের ধ’র্ষ’ণের চেষ্টার মামলায় নাম জড়াল সুফিয়ানের। মামলার তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই।
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে নানান রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলাতেই নাম রয়েছে এই তৃণমূল নেতার।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয় ২রা মে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এর পরদিনই ওই ঘটনা ঘটে। ওই সময় নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধরের মতো অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। ৩রা মে নন্দীগ্রামের একটি বাড়িত প্রবেশ করে গৃহবধূকে ধ’র্ষ’ণের চেষ্টা করা হয়ে বলে অভিযোগ ওঠে। আর এই মামলাতেই নাম উঠে আসে শেখ সুফিয়ানের।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন এই শেখ সুফিয়ান। তবে ভোটে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন মমতা। এরপর এই এলাকায় একাধিক ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল শাসকদলের।
সম্প্রতি ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা একটি খুনের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে স্বস্তি পেয়েছেন সুফিয়ান। গত বুধবার তাঁর আবেদনের ভিত্তিতেই তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে শীর্ষ আদালত। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়নি। এর ফলে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন তিনি। গতকাল, বুধবার ছিল সে মামলার শুনানি।
নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা দেবব্রত মাইতির মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়ায় শেখ সুফিয়ানের। তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই স্বস্তি কাটতে না কাটতে ফের নতুন করে মামলায় নাম জড়াল তৃণমূল নেতার।





