আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এই মুহূর্তে উত্তাল পরিস্থিতি। রাজ্যের দিকে চিকে চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। দুর্গাপুজোর মধ্যেও ফিকে হয়নি আন্দোলনের ঝাঁঝ। এরই মধ্যে এবার এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে শোরগোল।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের বৈষ্ণবনগর থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, গত রবিবার দশমীর রাতে ওই স্কুল ছাত্রীকে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি। গুরুতর অবস্থায় নির্যাতিতাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ওই রাতেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সেই বয়ান অনুযায়ী, গত রবিবার গ্রামে পুজো উপলক্ষ্যে নাটকের আয়োজন করা হয়েছিল। নাটক দেখার জন্য একাই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। সেই সময় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ছাত্রীকে মাঠে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। একজন পঞ্চায়েত সদস্যও ছিল সঙ্গে। ঘটনাটি দেখে নেয় আশেপাশের লোকজন।
এরপরই হইচই শুরু হওয়ায় পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। নির্যাতিতাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তৎক্ষণাৎ মেয়েটিকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই রাতেই অভিযুক্ত তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে গ্রেফতার করা হয় বলে।
এই ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। তাদের কথায়, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি বলে পুলিশ এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আবার তৃণমূলের দাবী, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মালদহ জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, “এখানে দলের কোনও ব্যাপার নেই। আইন আইনের পথে চলবে”।
আরও পড়ুনঃ ‘উনি মাইক হাতে মঞ্চতেও নাচবেন ঠিক…’, পুজো কার্নিভাল নিয়ে মমতাকে তুলোধোনা করলেন অভিনেত্রী মানসী সিনহা
অন্যদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানান, “পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের চেষ্টার মামলা রজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। গ্রামে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে”।





