পূর্ব বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের কন্যা আলিফা আহমেদ। কর্পোরেট জগৎ ছেড়ে রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেছেন মাত্র কিছুদিন হল। কিন্তু ভোটগণনার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, আলিফার প্রতি মানুষের ভরসা অটুট। সকাল থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে কালীগঞ্জ কেন্দ্রকে ঘিরে। বিভিন্ন দফার গণনায় একের পর এক চমক সামনে এলেও, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শুরু থেকেই সবার থেকে এগিয়ে রয়েছেন।
চতুর্থ রাউন্ডেও এগিয়ে ‘লাল-সাহেবের মেয়ে’
চতুর্থ দফার গণনার পরেও তৃণমূলের প্রার্থী এগিয়ে থাকেন ২৬০০ ভোটে। যদিও এর মাঝে কংগ্রেস-সিপিএম জোটের প্রার্থী কাবিলউদ্দিন শেখ দ্বিতীয় রাউন্ডের পর তৃতীয় স্থানে নেমে যান, কিন্তু চতুর্থ রাউন্ডে নিজের অবস্থান ফের পুনরুদ্ধার করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একসময় কালীগঞ্জে কংগ্রেসের শক্ত ভিত্তি থাকায় তারই প্রতিফলন ঘটেছে কাবিলউদ্দিনের ‘মাইলেজ’-এ।
সপ্তম রাউন্ডের পরই তৃণমূলের রানে ধাক্কা নয়, বরং আরও উর্ধ্বগতি
গণনার সপ্তম রাউন্ডে স্পষ্ট হয় তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। ওই রাউন্ডে আলিফা আহমেদ পেয়ে যান ৩২ হাজার ৩০৮ ভোট। অন্যদিকে বিজেপির ঝুলিতে আসে ১১ হাজার ৯৮৭ ভোট, আর কংগ্রেস পায় ১৩ হাজার ১৪৪। উল্লেখযোগ্যভাবে, ‘নোটা’-তে ভোট পড়ে ৬৩৯টি, যা এই উপনির্বাচনে এক আলাদা বার্তা বহন করছে।
নবম রাউন্ডেও অপরিবর্তিত তৃণমূলের ‘টপ পজিশন’
নবম রাউন্ড শেষে ছবিটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা তখন ৪২ হাজার ৩৪৮। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিজেপি পায় ১৮ হাজার ৯৫, এবং তৃতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেস পায় ১৫ হাজার ভোট। এই ট্রেন্ড যদি বজায় থাকে, তবে এই আসনে আলিফা আহমেদের জয়ের সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত।
গণনা চলছে, আশাবাদী তৃণমূল শিবির—চাপে বিরোধীরা
আরও পড়ুনঃ Weather update : সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস! দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গে আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা!
এই মুহূর্তে গণনার বাকি রাউন্ডগুলিও চলছে। তবে ভোটের ব্যবধান দেখে রাজনৈতিক মহল বলছে, কালীগঞ্জে উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয় এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। আলিফা আহমেদ যেমন বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ধরে রেখেছেন, তেমনই ব্যক্তিগত ভাবেও নিজেকে তুলে ধরেছেন দক্ষ নেত্রী হিসেবে। অন্যদিকে বিজেপি ও কংগ্রেসের লড়াই আপাতত দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।





