একদিন আগেই তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। তাঁর সব পাওয়া হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তিনি নিজে একথা বললেও, তাঁকে পরিবহণ নিগমের নতুন চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হল। হ্যাঁ, তিনি হলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় ‘কালারফুল’ মদন মিত্র।
শান্তিপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে জীবনে সমস্ত প্রাপ্তির কথা ঘোষণা করার পরই তাঁকে এই পদ দেওয়া হল। পরিবহণ দফতরের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় যে মদন মিত্রকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হল। এরপরই পরিবহণ ভবনে পৌঁছে যান কামারহাটির বিধায়ক।
নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান মদন। বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়ে নতুন পথ চলা শুরু করলাম। মুখ্যমন্ত্রী যা কথা দেন, তা পালনও করেন। আজ ফের তা দেখলাম”।
একুশের নির্বাচনে কামারহাটি থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক পদ পেলেও মন্ত্রী হন নি তিনি। তাই ফেসবুক লাইভে নিজের গান, কথা তুলে ধরতে থাকেন মদন মিত্র। বেশ জনপ্রিয়তাও পান। তাঁর রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে ‘ওহ লাভলি’, সবই বেশ জনপ্রিয়।
বিধায়ক হওয়ার পর কোনও পদ পান নি তিনি। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেছিলেন যে তিনি পুরসভার দায়িত্ব নিতে চান। সেই জায়গায় এবার পরিবহণ নিগমের দায়িত্ব সামলাবেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। এই নিয়ে চর্চাও শুরু হয়েছে জোরদার।
বলে রাখি, শুধু মদন মিত্রকে নতুন দায়িত্বই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঘোষকেও করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান। ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ, সাবিত্রী মিত্র এবং মৃদুল গোস্বামী। এদিন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের পাশাপাশি ৯জনকে সদস্য করা হয়েছে। এরা হলেন জেমস কুজুর, ফজলে করিম মিঞাঁ, হামিদুল রহমান, কল্পনা কিস্কু, মিতালি রায়, প্রতিভা সিং, বিজয় চন্দ্র বর্মণ, রঞ্জন সরকার এবং গৌতম দাস।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!