এগরার খাদিকুল গ্রামে এখন যেন হাহাকার। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। হাসপাতালে ভর্তি একাধিক। স্বজনহারাদের মানুষের কান্না এখন সেই গ্রামে। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসেছে বিরোধীরা। এবার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।
বিধায়কের কথায়, “পুলিশ চুকলি করেছে। অন্তর্ঘাত না হলে এই ঘটনা হয়! আমাদের আইবি কী করছিল”? এখানেই থামেননি তিনি। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “পুলিশের শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে। তারা অন্যদের কথায় নাচছে”।
বিরোধীরা বারবার দাবী করেন যে শুধুমাত্র পুলিশের ভরসাতেই তৃণমূল পার্টিটা টিকে রয়েছে। যেদিন পুলিশ সরে যাবে, সেদিন এই পার্টিও উঠে যাবে। এমন আবহে এগরার এই বিস্ফোরণের ঘটনাকে মদন মিত্র পুলিশের অন্তর্ঘাত বলায়, তা নিয়ে বেশ শোরগোল শুরু হয়েছে।
মদন মিত্রের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শমীক লাহিড়ী বলেন, “তৃণমূলের বিধায়ক যদি পুলিশের অন্তর্ঘাতের অভিযোগ করেন তাহলে তো পুলিশমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর দায় বর্তায়। মদন মিত্র কি সেটাই বলতে চেয়েছেন”
উল্লেখ্য, বাম জমানায় সিপিএমের জেলা সংগঠনে পুলিশ দেখার জন্য সম্পাদকমণ্ডলীর একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হত। অনেকের মতে, সিপিএমে বিকেন্দ্রীকরণ ছিল আর তৃণমূলে সেটাই কিছুটা কেন্দ্রীভূত। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলের শেষের দিকে সিপিএমের অনেক তাবড় তাবড় নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে যে পুলিশের হাবভাব নাকি বদলে গিয়েছে। তারা কথা শুনছে না। আর এবার মদনের গলাতেও কার্যত একই সুর শোনা গিয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!