বিবৃতি ছিঁড়ে ফেলার জের, রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কৃত হলেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন

রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কৃত করা হল তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনকে। গোটা বাদল অধিবেশনেই থাকতে পারবেন না তিনি, এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় তাঁর অভদ্র আচরণের জেরেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গতকাল, বৃহস্পতিবার পেগাসাস হ্যাক নিয়ে সংসদের পরিস্থিতি ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মোদী সরকারের উপর চাপ বাড়াতে থাকে বিরোধী দলগুলি। এর জেরে দফায় দফায় মুলতুবি রাখা হয় রাজ্যসভা।

আরও পড়ুন- হঠাৎই ভারতের খুব কাছাকাছি শি জিনপিং, চীনা প্রেসিডেন্টের তিব্বত সফর নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

এরপর এদিন দুপুরে পেগাসাস হ্যাক নিয়ে বিবৃতি দেওয়া শুরু করেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ। সেই সময় বিরোধী সাংসদরা তুমুল হট্টগোল শুরু করে দেন। বিজেপির অভিযোগ, এই সময় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর হাত থেকে সেই বিবৃতি ছিনিয়ে নিয়ে তা ছিঁড়ে দেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। এই নিয়ে বিজেপি সাংসদ হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গেও শান্তনু বচসায় জড়ান।

এরপর সংসদের বাইরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষি লেখি বলেন, “রাজনৈতিক বিরোধিতার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস এত নীচে নেমে যেতে পারে যে তারা দেশের ভাবমূর্তি খারাপ করবে, এমন কাজও করতে পারেন। আজ রাজ্যসভায় একজন সদস্য মন্ত্রীর হাত থেকে কাগজ ছিনিয়ে নেন। যিনি বিবৃতি দিচ্ছিলেন”।

আরও পড়ুন- ইঞ্জিনিয়ারদের মৃত্যুর জের, পাকিস্তানীদের চাকরি থেকে ছাঁটাই, পাকিস্তানে একাধিক প্রকল্প বন্ধ করল চীন

এই বিষয়ে বিজেপির সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “মূলত তৃণমূল সাংসদ-সহ বিরোধী সদস্যরা নিজেদের জায়গা থেকে উঠে পড়েন। তারপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাত থেকে কাগজ ছিনিয়ে নেন এবং ছিঁড়ে দেন। এটা একদম বরদাস্ত করা যায় না। উনি বিবৃতি দিচ্ছিলেন। তারপর আপনাদের প্রশ্ন করার অধিকার আছে”।

RELATED Articles