ফের একবার শাসকদলের বিরুদ্ধে উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হল নন্দীগ্রাম দাউদপুরের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শেখ সামসুল ইসলামকে। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার এই পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে নানান দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। একশো দিনের কাজ থেকে শুরু করে গাছ কাটার টাকা, সব কিছুই আত্মসাৎ করে দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন শেখ সামসুল ইসলাম।
এর আগে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পঞ্চায়েতেরই তিন সদস্য। অভিযোগ ছিল, ব্যাঙ্কে উচ্চপদস্থ কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও প্রধানের গদি আটকে রেখেছেন তিনি। কিন্তু সেই সময় কোনও ফল মেলেনি। তবে এবার দুর্নীতির খবর পেয়ে খোদ বিডিও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে।
বর্তমানে ওই পঞ্চায়েতে মোট ১২ জন সদস্য রয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন সামসুল ইসলামের পক্ষে। তবে বাকি তিনজন বিডিওর কাছে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। এরপরই বিডিও এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলে দুর্নীতির কার্যকলাপ উঠে আসে।
এরপরই ওই বিডিও গত ৬ই এপ্রিল নন্দীগ্রাম থানায় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর গতকাল, শুক্রবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে, পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতার করার পর থেকেই অশান্তি ছড়াতে শুরু করেছে এলাকায়। রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এরপরই অভিযুক্তকে হলদিয়া আদালতে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ।





