আম আদমি পার্টির শিবিরে তৃণমূলের উৎপাত, বেআইনি প্রতিরোধ, মমতা সরকারকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলোধোনা করল AAP

বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। পঞ্জাবে নির্বাচন জিতে সে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে তারা। এছাড়াও, গোয়াতেও রয়েছে আম আদমি পার্টির বিধায়ক। দিল্লি ছাড়াও অন্য একটি পূর্ণরাজ্যে ক্ষমতা গঠন করায় জাতীয় রাজনীতিতে বেশ কদর বেড়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের।

এরপর আপ-এর লক্ষ্য হল বাংলা। পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের জমি শক্ত করতে বেশ উঠেপড়ে লেগেছে পশ্চিমবঙ্গ আম আদমি পার্টি। বাংলায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে লক্ষ্য করেই এগোতে চাইছে আপ।

এই কারণে বাংলায় ইতিমধ্যেই নানান কর্মসূচিও শুরু করে ফেলেছে তারা। নানান সময় নানান মিটিং-মিছিল করে চলছে সংগঠনকে মজবুত করার কাজ। মমতা সরকারের বিরোধী দল হয়ে ওঠার চেষ্টায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল।

এমনই এক কর্মসূচি ছিল আপ-এর আজ, বৃহস্পতিবার। এদিন বারাসাতে আপের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল একটি ক্যানোপি শিবিরের। আর সেই শিবিরেই দৌরাত্ম্য তৃণমূলের। আপ-এর এই শিবিরে আচমকাই প্রতিরোধ করতে শুরু করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা।

সেই শিবিরে গিয়ে হঠাৎই তৃণমূলের হয়ে স্লোগান দিতে থাকে তারা। হাততালি দিয়ে জোরে জোরে উঠতে থাকে তৃণমূলের স্লোগান। যদিও কোনও মারামারি বা হামলার খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে ত্রিনমুলেরেই বেআইনি কর্মকাণ্ডে বেশ ক্ষুব্ধ আম আদমি পার্টি।

এই ঘটনা নিয়ে মমতা সরকারকে তোপ দাগা হয় পশ্চিমবঙ্গ আম আদমি পার্টির তরফে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে পশ্চিমবঙ্গ আম আদমি পার্টির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, “ক্ষমতাসীন দলের কীসের এত ভয় যে ‘আপ’ স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা চালিত শিবিরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে উৎপাত করতে আসতে হয়”।

তারা এও জানিয়েছে যে এমন উপদ্রব চললেও তাদের পিছু হটানো যাবে না। আপ-এর কথায়, “ভয় দেখানো ও উপদ্রব যত‌ই চলুক, কাজের রাজনীতির প্রচার থেকে আম আদমী পার্টি পিছিয়ে আসবে না। দুর্নীতিগ্ৰস্ত শক্তির বিষাক্ত বিরোধিতা থেকে বরং আমরা এই শিক্ষাই নেবো যে, আমরা একদম সঠিক রাস্তায় চলেছি”।

RELATED Articles