রাজ্যে মৃত্যু হল আরও ২ জন করোনা আক্রান্তের। গতকাল এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬২ বছরের এক প্রৌঢ়ের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে হাওড়ার গোলাবাড়ি আইএলএস হাসপাতালেও মৃত্যু হয় ৫৭ বছরের এক প্রৌঢ়ের। দুটি মৃত্যুই হয় গতকাল সন্ধেয়। করোনা পজিটিভ, এই রিপোর্ট অবশ্য আসে রাতে।
এনআরএসে যাঁর মৃত্যু হয়েছে তাঁর বাড়ি উল্টোডাঙায়। তাঁর বিদেশ ভ্রমণের কোনও যোগসূত্রে এখনও পাওয়া যায়নি বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। সোমবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। গতকাল রাত ৯টায় এসএসকেএম থেকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হল।
গোলাবাড়ির আইএলএস হাসপাতালে যে প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে, তাঁর বাড়ি হাওড়ার মল্লিকফটকে। সোমবার তিনিও প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল সন্ধেয় মৃত্যু হয়। নাইসেড থেকে রিপোর্ট আসে তার পরে। ওই প্রৌঢ়ের স্ত্রী, পুত্রবধূ, ভাই এবং ভাইপোকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এখন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭। শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ২ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। দুজনের বয়স যথাক্রমে ৪৯ ও ৫০। এসএসকেএমে দু’জনের নমুনা পরীক্ষা হয়।
আরজি কর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ৫৯ বছরের এক মহিলার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিত্সাধীন নয়াবাদের বাসিন্দার সংস্পর্শে আসা এগরার এক ব্যক্তিরও নমুনা পজিটিভ। তিনি ভর্তি আছেন মেদিনীপুরের এগরার হাসপাতালে। নয়াবাদের ওই বাসিন্দা এগরার এক বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পরে করোনা আক্রান্ত হন।
কম্যান্ড হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত চিকিত্সকের পরিবারের ৩ সদস্যের নমুনা পরীক্ষাও পজিটিভ এসেছে। ওই তিনজনই ভর্তি রয়েছেন কম্যান্ড হাসপাতালে। দমদমের নাগেরবাজারে আইএলএস হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ইতালির মিলান ফেরত এক প্রৌঢ়ার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। প্রৌঢ়ার নমুনা পরীক্ষা হয় এসএসকেএম-এ। তিনি গত ২০ ফেব্রুয়ারি মিলান থেকে ফিরেছিলেন। ২৩ মার্চ আচমকা জ্বরের সাথে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। গতকাল তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই প্রৌঢ়ার স্বামীও হাসপাতালে ভর্তি। আজ তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা।





