নাড্ডা হামলার পুনরাবৃত্তি কাম্য নয়, নির্বাচনের অনেক আগেই রাজ্যে মোতায়েন দুই কোম্পানি সিআরপিএফ

আগামী নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় শাসকদল ও বিরোধী দল আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে নিজেদের মতো করে প্রচার চালিয়ে যাওয়ার। ইতিমধ্যেই, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ বারবার বিরোধী পক্ষ থেকে উঠে এসেছে, তা হল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিকাঠামো নিয়ে।

গতমাসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা দিয়ে গর্জে ওঠে গেরুয়া শিবির। রাজ্যে প্রশাসনের নিরাপত্তার গাফিলতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপরই ডেপুটি কমিশনারে ডাক পরে নাড্ডার নিরাপত্তায় থাকা তিন আইপিএস অফিসারের। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেই কারণেই নির্বাচনের অনেক আগেই রাজ্যে দুই কোম্পানি সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত এই বাহিনী রাজ্যে থাকবে বলের খবর মিলেছে। ভিভিআইপির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এদের কাজে লাগানো হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্বভাবতই দিল্লির হেভিওয়েট নেতারা রাজ্যে প্রচারে আসবেন। তাদের সঠিক নিরাপত্তা প্রদান করার জন্যই এই ব্যবস্থা। আপাতত, খড়গপুর ও দুর্গাপুরে ক্যাম্প করবে এই বাহিনী। যেখানে প্রয়োজন পড়বে, বেস ক্যাম্প থেকে সেই অনুযায়ী বাহিনীকে সেখানে পাঠানো হবে।

এই নিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে শিক্ষা দিতেই নির্বাচনের এত আগের থেকে সিআরপিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। নাড্ডার কনভয়ে হামলাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বেজায় চটেছে। আর তাই রাজ্যকে বার্তা দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও নির্বাচনের আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নতুন কিছু নয়। তবে এতটা আগে বাহিনী মোতায়েন ভোটের উত্তাপ জে আরও বাড়িয়ে তুলবে, তা ধারণা করাই যায়।

RELATED Articles